📌 মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা ও নিয়মকানুন অনুসরণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, দ্রুতই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে
মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য নতুন নিয়মকানুন প্রকাশ করেছে। দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এই নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এর আগে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি ও ৪০টির বেশি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে এই তালিকা প্রকাশের পর জনশক্তি রফতানিকারকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে
- 📌 বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি ও ৪০টির বেশি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল
- 📌 জনশক্তি রফতানিকারকদের প্রতিষ্ঠান বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানান, তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ এজেন্সিই ডামি প্রতিষ্ঠান
- 📌 প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে দ্রুতই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে
- 📌 মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারকটির মেয়াদ ডিসেম্বরে শেষ হবে
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এর আগে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি ও বাংলাদেশে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৪০টির বেশি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে এই তালিকা প্রকাশের পর জনশক্তি রফতানিকারকদের প্রতিষ্ঠান বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানান, তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ এজেন্সিই মূলত ডামি প্রতিষ্ঠান। তিনি আরও বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সক্রিয় রয়েছেন।
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়া সরকারকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানতে চেয়েছে বলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, শ্রমবাজার নিয়ে দুই দেশের সরকার কাজ করছে এবং এটি স্বচ্ছতার সঙ্গেই হবে। তিনি বলেন, "আশা করছি দ্রুতই শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে সে দেশের সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আমরা পেয়ে যাব। কোন গোপনীয়তা বা সিন্ডিকেট থাকবে না, নিয়ম মেনে সবাই কাজের সুযোগ পাবে।"
এর আগে জুলাইয়ের শেষ দিকে মালয়েশিয়ায় গিয়ে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছিলেন, অগাস্ট মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের যাওয়া শুরু হবে। পরে চলতি মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়েও একই কথা বলেছিলেন।
মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০২১ সালে, যার মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। ঢাকায় মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই সমঝোতা স্মারক কার্যকর থাকায় সেটি অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে কর্মী পাঠাতে হবে। তিনি আরও বলেন, "তবে ডিসেম্বরের পর নতুন সমঝোতা স্মারক বা চুক্তির বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে সরকার।"
"যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তাদের আমরা নিজেরাই তো চিনিনা। মালয়েশিয়া সরকার তাদের কিভাবে চিনল। আসলে আগের সিন্ডিকেটের একটি অংশের সাথে নতুন কিছু প্রভাবশালীরা এগুলোর পেছনে আছে এবং এক্ষেত্রে বড় দুর্নীতিও কাজ করেছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫, ৪০, ২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!