📌 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফ্রান্সের সাংসদীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে ফ্রান্সকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং সাংসদীয় ককাস গঠনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার প্রস্তাব করা হয়। স্পীকার মুক্তিযুদ্ধের সময় ফ্রান্সের ভূমিকা ও আন্দ্রে মারলো-এর স্মৃতির প্রশংসা করেন
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মঙ্গলবার ফ্রান্সের সাংসদীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে ফ্রান্সকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং দুই দেশের মধ্যে সাংসদীয় ককাস গঠনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার প্রস্তাব করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফ্রান্সের সাংসদীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে ফ্রান্সকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
- 📌 দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে সাংসদীয় ককাস গঠনের প্রস্তাব করা হয়।
- 📌 স্পীকার উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের কারণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল, কিন্তু জনগণ কখনো স্বৈরাচারের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি।
- 📌 মুক্তিযুদ্ধের সময় ফ্রান্সের ভূমিকা ও আন্দ্রে মারলো-এর স্মৃতির প্রশংসা করে স্পীকার বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।
- 📌 ফ্রান্সের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও খননে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- 📌 ফ্রান্সের সিনেট স্পীকারসহ বাংলাদেশের সাংসদীয় প্রতিনিধিদলকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানায়।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে ফ্রান্সের সাংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে স্পীকার বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য।
স্পীকার আরও বলেন, গত ১৫ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের কারণে বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। তবে বাংলাদেশের জনগণ সবসময়ই গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তারা কখনো স্বৈরাচারের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরাসি নাগরিক আন্দ্রে মারলো-এর ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
সাক্ষাতে ফ্রান্সের প্রতিনিধি দল দুই দেশের মধ্যে সাংসদীয় কমিটি গঠন, মৈত্রী গ্রুপের কার্যক্রম জোরদার এবং সাংসদীয় কূটনীতির প্রসারে গুরুত্বারোপ করে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও খননে বিনিয়োগের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
বৈঠকে ফ্রান্সের প্রতিনিধি দল তাদের সিনেটের পক্ষ থেকে স্পীকারসহ বাংলাদেশের সাংসদীয় প্রতিনিধিদলকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানায়। উপস্থিত ছিলেন ফরাসি দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, ফ্রান্সের সাংসদীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
"মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ফ্রান্সের সাংসদীয় প্রতিনিধি দল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!