📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজবাড়ীতে ২৭৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য, পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দায়িত্বে

রাজবাড়ীতে ২৭৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য, পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দায়িত্বে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজবাড়ী জেলার ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭৯টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্বে পড়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়ছেন। প্রশাসনিক শিথিলতা ও পদোন্নতি বিলম্বের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বিপর্যস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে

রাজবাড়ী জেলার ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭৯টি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্বে পড়ায় শিক্ষকরা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় শ্রেণিকক্ষের পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম আরো বিপর্যস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজবাড়ী জেলার ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭৯টি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য
  • 📌 স্থায়ী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত মাত্র ২০২ জন, এর বিপরীতে ২৭৯টি পদ শূন্য
  • 📌 ৯৬ জন শিক্ষক ‘চলতি দায়িত্বে’ প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন
  • 📌 উপজেলা ভিত্তিক বিশ্লেষণে রাজবাড়ী সদর, পাংশা, বালিয়াকান্দি, কালুখালী ও গোয়ালন্দে সবচেয়ে বেশি প্রধান শিক্ষক সংকট
  • 📌 ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্বে পড়ায় পাঠদান ব্যাহত ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে

📰 বিস্তারিত

রাজবাড়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৮৫টি পদোন্নতিযোগ্য এবং ৯৬টি সরাসরি নিয়োগযোগ্য প্রধান শিক্ষকের পদ রয়েছে। বর্তমানে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন মাত্র ২০২ জন। এর মধ্যে ৩২৭টি পদোন্নতিযোগ্য এবং ৪৮টি সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদ শূন্য রয়েছে। আইনি জটিলতার কারণে ২৮টি পদ সংরক্ষিত রয়েছে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ১৩৪টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৫৮ জন, শূন্য রয়েছে ৭৬টি পদ। পাংশায় ১২১টি পদের মধ্যে কর্মরত ৪৭ জন, শূন্য ৭৪টি। বালিয়াকান্দিতে ৯৯টি পদের মধ্যে কর্মরত ৪২ জন, শূন্য ৫৭টি। কালুখালীতে ৭৬টি পদের মধ্যে কর্মরত ৩৮ জন, শূন্য ৩৮টি। গোয়ালন্দে ৫১টি পদের মধ্যে কর্মরত ১৭ জন, শূন্য রয়েছে ৩৪টি পদ।

শহীদ স্মৃতি স্টেডিয়াম, চর ধুঞ্চী, গোদার বাজার ও মুন্সী বেলায়েত হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে ও পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে। শহীদ স্মৃতি স্টেডিয়াম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালমা সুলতানা বলেন, “দু’জনের দায়িত্ব একজন পালন করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে। অনেক শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক হিসেবে মেনে নিতে রাজি নয়। ফলে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান বাদ দিয়ে অফিশিয়াল কাজ সম্পন্ন করতে হয়, যা পাঠদানকে ব্যাহত করে।”

চর ধুঞ্চী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী কোহিনুর আক্তার বলেন, “সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক হিসেবে মানতে চান না অন্য শিক্ষকরা। বেতনের টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ের খরচাদি করতে হচ্ছে, যা বড় সমস্যা। পদোন্নতির তালিকায় থাকা শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে শূন্য পদগুলো পূরণ করা দরকার।”

গোদার বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেহেনা আক্তার বলেন, “প্রধান শিক্ষক না থাকায় একজন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রেণী পাঠদানের খবর নিচ্ছে কে? ভারপ্রাপ্ত শিক্ষককে দাফতরিক কাজ-মিটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। পাঠদান করতে পারলে ক্লাস অপূর্ণ থেকে যায়। শিক্ষার্থীরা হইহুল্লোড় করে, ফলে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসা বন্ধ করেছে।”

মুন্সী বেলায়েত হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্বপ্না রানী পোদ্দার বলেন, “সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক হিসেবে মানতে চান না অন্য শিক্ষকরা। সার্বিক বিষয়ে প্রশাসনিক শিথিলতা ও পদোন্নতি বিলম্বের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বিপর্যস্ত হচ্ছে।”

"রাজবাড়ীতে ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, এর মধ্যে ২৭৯টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। ওইসব বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে। শূন্যপদ পূরণ করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই মন্ত্রণালয় একটা ব্যবস্থা নেবে"

— রাজবাড়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলা (রাজবাড়ী সদর, পাংশা, বালিয়াকান্দি, কালুখালী, গোয়ালন্দ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমা সুলতানা, কাজী কোহিনুর আক্তার, রেহেনা আক্তার, স্বপ্না রানী পোদ্দার, মো. তবিবুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৯টি প্রধান শিক্ষক শূন্য পদ, ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০২ জন স্থায়ী প্রধান শিক্ষক, ৯৬ জন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖