📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ড: ধর্ষককে জন্মদাতা ঘোষণা করে আদালত

টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ড: ধর্ষককে জন্মদাতা ঘোষণা করে আদালত

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল ১৫ সেপ্টেম্বর রশিদ মিয়া (৫৫)কে শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। আদালত ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুকে রশিদ মিয়াকে উত্তরাধিকার ঘোষণা করে এবং শিশুর ভরণপোষণ রাষ্ট্রের দায়িত্বে নেয়

টাঙ্গাইল জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. আব্দুল মজিদ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রশিদ মিয়া (৫৫)কে শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। এই মামলায় আসামিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডেরও রায় দেন আদালত। রশিদ মিয়া মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আগছাওয়ালী গ্রামের গোলামের ছেলে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **যাবজ্জীবন কারাদণ্ড**: রশিদ মিয়া (৫৫)কে শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়
  • 📌 **২ লাখ টাকা জরিমানা**: আদালত ২ লাখ টাকা জরিমানা করে, অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায়
  • 📌 **ধর্ষণের শিশুকে উত্তরাধিকার**: আদালত ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুকে রশিদ মিয়াকে উত্তরাধিকার ঘোষণা করে
  • 📌 **ভিকটিমের সম্পদ নিশ্চিতকরণ**: ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়, আসামির সম্পদ বিক্রি করে ভিকটিমকে অর্থ প্রদান করা
  • 📌 **মাসিক ভরণপোষণ**: শিশুর শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভরনপোষণের জন্য মাসিক অর্থের পরিমাণ নির্ধারণের নির্দেশ

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. আব্দুল মজিদের রায়ে উল্লেখ করা হয়, আসামির কাছ থেকে অর্থদণ্ড আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে আসামি যে সম্পদের মালিক হবেন, সেই সম্পদ থেকে ভিকটিমকে অর্থ প্রদান করা হবে। ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর টাঙ্গাইলকে নির্দেশ দেওয়া হয়, দণ্ডিত আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ডের সমপরিমান অর্থ ভিকটিমকে প্রদান করা।

২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল, ১৪ বছরের এক শিশু তার দাদিকে ডাকার জন্য পুকুর পাড়ে যায়। প্রতিবেশী সম্পর্কের দাদা রশিদ মিয়া তাকে বলে শিশুটির দাদি তার বাড়িতে গেছে। পরে শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষক শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। পরে শিশুর শারীরিক অবস্থা পরিবর্তন হলে, শিশু তার মায়ের কাছে ধর্ষণের কথা বলে। ধর্ষণের ফলে শিশু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ভিকটিম তার পিতার বাড়িতে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।

২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ভিকটিম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত মির্জাপুর থানাকে মামলাটি এজহারের জন্য আদেশ দেন। আসামি রশিদ মিয়ার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের পিতা বলে নিশ্চিত হয়।

"আসামির কাছ থেকে অর্থদণ্ড আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে আসামি যে সম্পদের মালিক হবেন, সেই সম্পদ থেকে ভিকটিমকে দেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলা, মির্জাপুর উপজেলা, মহেড়া ইউনিয়ন, আগছাওয়ালী গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রশিদ মিয়া (৫৫), বিচারক ড. আব্দুল মজিদ, পিপি খন্দকার মো. রোকুনুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর (রশিদ মিয়া), ২ লাখ টাকা (জরিমানা), ২ বছর (সশ্রম কারাদণ্ড), ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖