📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইবি আবাসিক হলে দলীয় সুবিধা: শিক্ষার্থীরা দাবি করছে নিরপেক্ষ সিট বণ্টন

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
ইবি আবাসিক হলে দলীয় সুবিধা: শিক্ষার্থীরা দাবি করছে নিরপেক্ষ সিট বণ্টন

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলগুলোর সিট বরাদ্দে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী। তিনি দাবি করেছেন, মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সিট বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে এবং অবৈধভাবে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ করতে হবে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) আবাসিক হলগুলোর সিট বরাদ্দে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বেআইনি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন। ইউসুফ আলী জানান, শাহ আজিজুর রহমান হলের শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী অভিযোগ করেন, শাহ আজিজুর রহমান হলে ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু অন্য হলগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 প্রভোস্টের দীর্ঘমেয়াদি এ্যালট ও আবেদন সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ, যা দলীয় কোটায় শিক্ষার্থীদের হলে তুলতে ব্যবহৃত হচ্ছে
  • 📌 শহীদ জিয়াউর রহমান হলে রাজনৈতিক কর্মীর বৈধ সিট না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন অবস্থানরত থাকার অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 ৮টি দাবি উত্থাপন করেছেন ইউসুফ আলী: অবৈধ শিক্ষার্থীদের অপসারণ, নিরপেক্ষ সিট বণ্টন, বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, সিট বণ্টনের তালিকা প্রকাশ, রাজনৈতিক অপচর্চামুক্ত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও হল ডাইনিংয়ে সুষম খাদ্য নিশ্চিতকরণ
  • 📌 সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ আলীসহ ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক, স্কুল ও কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক এবং আইন সম্পাদক

📰 বিস্তারিত

ইবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী জানান, শাহ আজিজুর রহমান হলে ১৯৭৫ সালের চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর একবার সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা খুব অল্প সময়ের জন্য ছিল। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও তাদের কোনো সিট বরাদ্দ দেয়া হয়নি। অন্যদিকে, অন্য হলগুলোতে দুই-তিনবার সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে, শিক্ষার্থীরা দলীয় কোটায় বা অন্যভাবে হলে তুলে নেওয়া হবে।

ইউসুফ আলী আরও বলেন, “আবাসিক হল কোনো রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তারের জায়গা হতে পারে না। সিট একজন শিক্ষার্থীর অধিকার। এই অধিকার মেধা, বৈধতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়াউর রহমান হলে একটি রাজনৈতিক কর্মীর বৈধ সিট না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন অবস্থানরত থাকার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইউসুফ আলী ৮টি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলো: আবাসিক হলগুলো থেকে অবৈধ শিক্ষার্থীদের অপসারণ, রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ বন্ধ, মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সিট বণ্টন, বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, সিট বণ্টনের তালিকা প্রকাশ, রাজনৈতিক অপচর্চামুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কার্যকর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হলের ডাইনিংয়ে সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা।

"বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল কোনো রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তার কিংবা দলীয় লোকজনকে নিয়মবহির্ভূত আশ্রয় দেয়ার জায়গা হতে পারে না। হলের সিট একজন শিক্ষার্থীর অধিকার। সেই অধিকার মেধা, বৈধতা, জ্যেষ্ঠতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালার ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), বটতলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউসুফ আলী (ইবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ২ টা (সময়), ২৪ (সেশনের সংখ্যা), ৮ (দাবির সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖