📌 ইসরায়েলের গোপন প্রভাবমূলক বিশেষজ্ঞরা হামাসের হামলার পর কাতারকে লক্ষ্য করে বিশ্বব্যাপী একটি প্রভাবমূলক অভিযান শুরু করেছিল, যা পরে অদৃশ্য হয়ে যায়। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল কাতারকে হামাসের সাথে সম্পর্কের কারণে আন্তর্জাতিক চাপে ফেলা এবং বন্দীদের মুক্তির জন্য চাপ দেওয়া।
হামাসের নেতৃত্বে ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলার পর কাতারকে লক্ষ্য করে একটি গোপন প্রভাবমূলক অভিযান পরিচালনা করেছিল ইসরায়েলের একটি বিশেষজ্ঞ দল। এই অভিযানটি কয়েক সপ্তাহ ধরে চলেছিল এবং পরে অদৃশ্য হয়ে যায়। আল জাজীরা সংবাদপত্র হ্যারেটজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল কাতারকে হামাসের সাথে সম্পর্কের কারণে আন্তর্জাতিক চাপে ফেলা এবং ২৫১ জন বন্দী মুক্তির জন্য চাপ দেওয়া।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের প্রভাবমূলক বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক পরামর্শদাতারা গোপনে কাতারকে লক্ষ্য করে একটি বিশ্বব্যাপী প্রভাবমূলক অভিযান শুরু করেছিল, যা পরে অদৃশ্য হয়ে যায়।
- 📌 এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল কাতারকে হামাসের সাথে সম্পর্কের কারণে আন্তর্জাতিক চাপে ফেলা এবং বন্দীদের মুক্তির জন্য চাপ দেওয়া।
- 📌 অভিযানে প্রায় ৩০ জন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা ও প্রভাবমূলক যুদ্ধের বিশেষজ্ঞ নিয়োজিত ছিলেন।
- 📌 অভিযানের অংশ হিসেবে একটি ওয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ "Free the Kidnapped" গঠিত হয়েছিল, যেখানে কাতারকে হামাসের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা করা হত।
- 📌 অভিযানের অংশ হিসেবে "কাতার-আইএসআইএস লিমিটেড" এবং "হামাস হল আইএসআইএস" মত বক্তব্য প্রচার করা হয়েছিল।
- 📌 কাতার দীর্ঘদিন ধরে হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয়ের মধ্যস্থতা করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ২০১২ সাল থেকে এই কার্যালয়ের মালিকানা রাখে।
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু কাতারে হামাসের সাথে আলোচনার সময় একটি মিসাইল আক্রমণে ৬ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একজন কাতারি নাগরিকও ছিলেন।
- 📌 ইসরায়েলের গোপন অভিযানের তথ্য প্রকাশের জন্য হ্যারেটজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল একটি বিশ্বব্যাপী নাগরিক প্রভাবমূলক অভিযান শুরু করা কাতারের বিরুদ্ধে”।
📰 বিস্তারিত
হামাসের নেতৃত্বে ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলার পর কাতারকে লক্ষ্য করে একটি গোপন প্রভাবমূলক অভিযান পরিচালনা করেছিল ইসরায়েলের প্রভাবমূলক বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক পরামর্শদাতারা। এই অভিযানটি হ্যারেটজের প্রতিবেদন অনুযায়ী গোপনে পরিচালিত হয়েছিল এবং পরে অদৃশ্য হয়ে যায়। আল জাজীরা সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল কাতারকে হামাসের সাথে সম্পর্কের কারণে আন্তর্জাতিক চাপে ফেলা এবং বন্দীদের মুক্তির জন্য চাপ দেওয়া।
অভিযানে প্রায় ৩০ জন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা ও প্রভাবমূলক যুদ্ধের বিশেষজ্ঞ নিয়োজিত ছিলেন। এই অভিযানের অংশ হিসেবে একটি ওয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ "Free the Kidnapped" গঠিত হয়েছিল। এই গ্রুপে কাতারকে হামাসের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা করা হত। হ্যারেটজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল একটি বিশ্বব্যাপী নাগরিক প্রভাবমূলক অভিযান শুরু করা কাতারের বিরুদ্ধে।
অভিযানের অংশ হিসেবে কাতারকে হামাসের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছিল। একটি সদস্য প্রশ্ন করেছিলেন, “আমরা জানি কাতার প্রতি বছর হামাসকে কত টাকা দেয় বা কোনো অর্থের পরিমাণ জানা যায়?” অন্য একজন সদস্য উত্তর দিয়েছিলেন, “কাতার-আইএসআইএস লিমিটেড”। এই বক্তব্যটি পরে অভিযানের ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক প্রোফাইলে ব্যবহার করা হয়েছিল।
কাতার দীর্ঘদিন ধরে হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয়ের মধ্যস্থতা করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ২০১২ সাল থেকে এই কার্যালয়ের মালিকানা রাখে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জাসিম আল থানি বলেছেন, “আমাদের সকল সাহায্য, অর্থ এবং সমর্থন গাজার মানুষের জন্য ছিল এবং এটি একটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার প্রক্রিয়া ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রেরও জ্ঞান ছিল। ইসরায়েলই এই যোগাযোগের মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা এবং বন্দীদের মুক্তির জন্য কাজ করেছিল।”
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু কাতারে হামাসের সাথে আলোচনার সময় একটি মিসাইল আক্রমণে ৬ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একজন কাতারি নাগরিকও ছিলেন। এই ঘটনায় ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সমালোচনা করেছিল। পরে নেটানিয়াহু এই আক্রমণে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
"আমাদের লক্ষ্য ছিল একটি বিশ্বব্যাপী নাগরিক প্রভাবমূলক অভিযান শুরু করা কাতারের বিরুদ্ধে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাতার, ইসরায়েল, গাজা, দক্ষিণ ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জাসিম আল থানি, বেনজামিন নেটানিয়াহু, মার্ক ওয়েন জোন্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন (অভিযানে নিয়োজিত), ৬ জন (মৃত্যু), ২৫১ জন (বন্দী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!