📌 পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান জানান, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণের কোনো আপাত পরিকল্পনা নেই। বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়েও সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায় নির্ধারণের অপেক্ষায় রয়েছে
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যকার মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণের কোনো আপাত পরিকল্পনা এখনো নেই। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, চুক্তির পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে পরবর্তী ধাপে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান বলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণের কোনো আপাত পরিকল্পনা নেই
- 📌 চুক্তির লক্ষ্য হলো তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
- 📌 চুক্তি অনুযায়ী, কোনো সদস্যদেশ হামলার শিকার হলে সব সদস্যদেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে
- 📌 প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৩১ আগস্ট তুরস্কের ইস্তাম্বুলে, পরবর্তী বৈঠকের তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি
- 📌 বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভর করছে
📰 বিস্তারিত
গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো তিন দেশের প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। চুক্তি অনুযায়ী, এই জোটের কোনো সদস্যদেশ হামলার শিকার হলে সব সদস্যদেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
সাজ্জাদ হায়দার খান বলেন, মক্কা চুক্তি প্রাথমিকভাবে একটি প্রতিরক্ষা জোট। এর লক্ষ্য হলো প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তুলে প্রাথমিকভাবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি জানান, আপাতত চুক্তির পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই। প্রথমে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ককে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শেষে একই অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি রাখা দেশগুলোর চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানান তিনি।
মুখপাত্র জানান, চুক্তির কাঠামো, কার্যপ্রণালি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা হবে। মক্কা চুক্তির সদস্যদেশগুলোর মধ্যে প্রথম বৈঠক গত ৩১ আগস্ট তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তী বৈঠকগুলো কবে হবে, সে বিষয়ে তথ্য নিয়মিতভাবে জানানো হবে। তবে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতীয় সংসদে বলেছেন, বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর। তারা বাংলাদেশকে চুক্তিতে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করলে বাংলাদেশ নিশ্চয়ই ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
"মক্কা চুক্তি প্রাথমিকভাবে একটি প্রতিরক্ষা জোট। এর লক্ষ্য হলো প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তুলে প্রাথমিকভাবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আপাতত চুক্তির পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তুরস্কের ইস্তাম্বুল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজ্জাদ হায়দার খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ আগস্ট (চুক্তি স্বাক্ষর), ৩১ আগস্ট (প্রথম বৈঠক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!