📌 জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, মতভিন্নতা গণতান্ত্রিক সংসদের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেন। অধিবেশনে ৬টি বিল পাস ও ৪৮টি সাংসদীয় কমিটি গঠিত হয়
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ গণতান্ত্রিক সংসদে মতভিন্নতার স্বাভাবিকতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে তিনি বলেন, মতভিন্নতা গণতান্ত্রিক সাংসদীয় ব্যবস্থার একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। সাংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার মাধ্যমে গণতন্ত্রের চর্চা আরও সমৃদ্ধ হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মতভিন্নতা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেন।
- 📌 ৯ কার্যদিবস চলা অধিবেশনে ৬টি বিল পাস ও ৪৮টি সাংসদীয় কমিটি গঠিত হয়।
- 📌 ৩টি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টি সাংসদীয় কমিটি পুনর্গঠিত হয়।
- 📌 ৭১ বিধিতে ১৫টি নোটিশ গৃহীত হয়, যার মধ্যে ১৪টির ওপর আলোচনা হয়।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সমাপনী বক্তব্য দেন।
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অধিবেশন সমাপনী আদেশ পাঠ করে স্পিকার অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
📰 বিস্তারিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গণতান্ত্রিক সংসদে মতভিন্নতা স্বাভাবিক এবং তা সাংসদীয় কার্যক্রমকে সমৃদ্ধ করে। তিনি সংসদ সদস্যদের আহ্বান জানান, তারা সাংসদীয় রীতিনীতি ও ঐতিহ্য মেনে চলবে এবং গলাগালির সংস্কৃতি পরিহার করবে। স্পিকার বলেন, "দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।"
২৭ আগস্ট শুরু হওয়া এই অধিবেশন মোট ৯ কার্যদিবস চলার পর বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) শেষ হয়। অধিবেশনে আইন প্রণয়নের পাশাপাশি সাংসদীয় কার্যক্রমে বেশ কিছু সাফল্য অর্জিত হয়। মোট ৬টি বিল উপস্থাপিত হয় এবং সবগুলোই পাস হয়। এছাড়া, ৩টি বিশেষ কমিটিসহ মোট ৪৮টি সাংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়।
সাংসদীয় কার্যপ্রণালির বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যরা দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেন। এর মধ্যে ৬৮ বিধিতে প্রাপ্ত ৭টি নোটিশের মধ্যে ২টি গৃহীত ও আলোচিত হয়। ৭১ বিধিতে ১৫টি নোটিশ গৃহীত হয়, যার মধ্যে ১৪টির ওপর আলোচনা হয়। এছাড়া, ৭১–ক বিধিতে দুই মিনিটের বক্তব্যের জন্য ১২৪টি নোটিশ পাওয়া যায়। প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উত্তরদানের জন্য মোট ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ জমা পড়ে, যার মধ্যে তিনি ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দেন। অন্যদিকে, মন্ত্রণালয়সমূহের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য মোট ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া গেলে, তারা মোট ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন।
"দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই। সংসদ নেতা ইতিপূর্বেই গলাগালির সংস্কৃতি পরিহার করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ কার্যদিবস, ৬টি বিল পাস, ৪৮টি সাংসদীয় কমিটি, ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের নোটিশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!