📌 কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম-লাকসাম সড়কে খানাখন্দে পড়া কাভার্ড ভ্যান বিকল হয়ে পড়েছে। সড়কের ভাঙাচোরা অবস্থায় যানবাহন চালানোর সময় যাত্রী ও পথচারীরা বিপদে পড়ছেন। স্থানীয়রা লাল নিশানা দিয়ে বিপদসূচক চিহ্নিত করলেও দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম-লাকসাম সড়কে খানাখন্দে পড়া কাভার্ড ভ্যান বিকল হয়ে পড়েছে। সড়কের ভাঙাচোরা অবস্থায় যানবাহন চালানোর সময় যাত্রী, চালক ও পথচারীরা বিপদে পড়ছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ জেলা সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করে, কিন্তু বর্তমান অবস্থায় সড়কটি যানবাহন ও পথচারীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ফেলনা এলাকায় চৌদ্দগ্রাম-লাকসাম সড়কে কাভার্ড ভ্যান বিকল হয়ে পড়েছে। ডান পাশের সামনের চাকা খুলে গেছে।
- 📌 সড়কের খানাখন্দে পড়া গর্তগুলো বৃষ্টির পানিতে ভরে গেছে। গর্তের গভীরতা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।
- 📌 স্থানীয়রা লাল কাপড়ের নিশানা দিয়ে বিপদসূচক চিহ্নিত করলেও, যানবাহন চালানোর সময় গর্তের পানি ছিটকে পথচারীদের পোশাকে লাগছে।
- 📌 ট্রাকচালক আকলাছ মিয়া বলেছেন, সড়কটি বেহাল হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। বৃষ্টি হলে গর্তগুলো বোঝা যায় না, ফলে পণ্যবাহী গাড়ি বিকল হয়ে যায়।
- 📌 কাভার্ড ভ্যানের চালক মো. মোস্তফা জানান, সড়কটি দিয়ে লাকসাম ও নোয়াখালী যাতায়াতের সময় যানবাহন চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
- 📌 সড়ক ও জনপদ বিভাগ কুমিল্লা অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেছেন, দ্রুত সড়ক মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
📰 বিস্তারিত
চৌদ্দগ্রাম-লাকসাম সড়ক কুমিল্লা জেলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জেলা সড়ক। এই সড়কটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ সড়ক হিসেবে কাজ করে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা থেকে শুরু হয়ে লাকসাম উপজেলার বাইপাসে শেষ হয়েছে। এই পয়েন্ট দিয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালীর চার লেন সড়ক শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা সময় বাঁচানোর জন্য এই সড়ক ব্যবহার করে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে যাতায়াত করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে বড় বড় গর্তগুলো বৃষ্টির পানিতে ভরে আছে। ভেঙে গেছে সড়কের দুই পাশের বেশ কিছু অংশ। কাভার্ড ভ্যান সড়কে বিকল হয়ে পড়ে আছে। পূর্ব চান্দিশকরা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানেও সড়কে বড় বড় গর্তে পানি জমে আছে। ঝাঁকুনি খেতে খেতে ভাঙা সড়ক দিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। দুটি এলাকাতেই সড়কটি দিয়ে যানবাহন যাতায়াতের সময় গর্তের পানি ছিটকে পথচারী ও স্কুল-মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের পোশাকে লাগছে।
ইমাম হোসাইন নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেছেন, এই সড়ক দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন নাঙ্গলকোট, লাকসাম হয়ে নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করছে। বিশেষ করে লাকসাম রেলস্টেশন হওয়ায় সাধারণ মানুষ সময় বাঁচাতে এই সড়কটি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় ভাঙাচোরা সড়কে যানবাহনে চলতে গিয়ে ঝাঁকুনিতে শরীরে ব্যথা হয়ে যায়।
"আমি লোক পাঠিয়ে দ্রুত এ সড়কটি মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, কুমিল্লা; পূর্ব চান্দিশকরা এলাকা, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমাম হোসাইন, আকলাছ মিয়া, মো. মোস্তফা, খন্দকার গোলাম মোস্তফা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬টি (চিকিৎসকের পদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!