📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের মেইল-ইন ভোটের নতুন নিয়ম প্রবর্তনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচনের মাত্র ৮ সপ্তাহ বাকি থাকা অবস্থায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত নিয়মগুলোতে ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিতকরণের জন্য বারকোড যুক্ত করা এবং মেইল-ইন ভোটের তালিকা জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত মিডটার্ম নির্বাচনের মাত্র ৮ সপ্তাহ আগে ট্রাম্প প্রশাসনের মেইল-ইন ভোটের নতুন নিয়ম প্রবর্তনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বুধবার, ম্যাসাচুসেটসের বস্টনের প্রথম আপিল আদালত (First Circuit Court of Appeals) নিম্ন আদালতের একটি রোধকাজের আদেশ উল্টানোর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, যা শুক্রবার একটি নিম্ন আদালত দ্বারা জারি করা হয়েছিল। এই রোধকাজের আদেশের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত নিয়মগুলো বাস্তবায়নের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আপিল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের মেইল-ইন ভোটের নতুন নিয়ম বাস্তবায়নের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, যা নভেম্বর ৩ তারিখের মিডটার্ম নির্বাচনের আগে জারি করা হয়েছিল।
- 📌 নতুন নিয়মে মেইল-ইন ভোটের জন্য বারকোড যুক্ত করা এবং ভোটার তালিকা জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল, যা ট্রাম্পের পক্ষ থেকে "নির্বাচন নিরাপত্তা" নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তাবিত হয়েছিল।
- 📌 ভোটাধিকার সংরক্ষণকারী একটি গোষ্ঠী, যার মধ্যে লিগ অব উইমেন ভোটার্স (League of Women Voters) অন্তর্ভুক্ত, দাবি করেছে যে এই নিয়মগুলো মেইল-ইন ভোটের উপর নির্ভরশীল ভোটারদের বঞ্চিত করবে।
- 📌 আদালতের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, "এই নিয়মগুলো বাস্তবায়ন করা হলে নভেম্বর ৩ তারিখের আগে বিশৃঙ্খলা এবং ব্যাপকভাবে ভোটাধিকার বঞ্চনা ঘটবে"।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যে মেইল-ইন ভোটের ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে ২৯টি রাজ্যে কোনো কারণ ছাড়াই মেইল-ইন ভোটের ব্যবস্থা রয়েছে এবং ৮টি রাজ্যে সম্পূর্ণ মেইল-ইন ভোটের ব্যবস্থা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
আদালতের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে যে, নতুন নিয়মগুলো বাস্তবায়ন করা হলে, কিছু রাজ্য তাদের মেইল-ইন ভোটের পত্রিকাগুলো পুনঃমুদ্রণ করতে পারবে না, যা "অসাধ্য কাজ" বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়াও, মার্কিন ডাক বিভাগের (USPS) জন্য "কোটি কোটি ভোটের পত্রিকাগুলো স্ক্যান করা" একটি "হেরকুলিয়ান কাজ" হবে, যেখানে ডিজিটাল পোর্টাল এখনও কার্যকর নয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব রাজ্যগুলোর উপর ন্যস্ত। তবে ট্রাম্প নির্বাচনের আগে ভোটাধিকার সীমাবদ্ধকরণের জন্য প্রচার চালাচ্ছেন, যা তিনি "অবৈধ নির্বাচন চক্রান্ত" প্রতিরোধের জন্য বলে দাবি করছেন। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, তার এই পদক্ষেপগুলো নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তন করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বর্তমানে, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রাখে। তবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায়, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে যাওয়ার আশায় রয়েছে।
এই মামলায় মার্কিন ডাক বিভাগের (USPS) নতুন নিয়মগুলোতে বলা হয়েছে যে, রাজ্য মেইল-ইন ভোটের পত্রিকাগুলোতে স্ক্যানযোগ্য বারকোড যুক্ত করতে হবে এবং ভোটারদের তালিকা জমা দিতে হবে। ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, তারা যদি এই নিয়মগুলো মেনে না চলে, তাহলে তারা "মেইল-ইন বা অনুপস্থিত ভোটের পত্রিকাগুলো প্রেরণ করবে না"।
"মেইল-ইন বা অনুপস্থিত ভোটের পত্রিকাগুলো প্রেরণ করবে না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (বস্টন, ম্যাসাচুসেটস), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডিস্ট্রিক্ট জজ ইন্ডিরা টালওয়ানি, লিগ অব উইমেন ভোটার্স, মার্কিন ডাক বিভাগ (USPS)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি রাজ্য, ২৯টি রাজ্যে মেইল-ইন ভোটের ব্যবস্থা, ৮টি রাজ্যে সম্পূর্ণ মেইল-ইন ভোটের ব্যবস্থা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!