📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালে হিমবাহধসে ভয়াবহ বন্যা: মৃত্যু ১৬২, নিখোঁজ তিন শতাধিক পর্যটক

নেপালে হিমবাহধসে ভয়াবহ বন্যা: মৃত্যু ১৬২, নিখোঁজ তিন শতাধিক পর্যটক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনো তিন শতাধিক পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ভূমিকম্প ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই এমন বিপর্যয় ঘটেছে।

তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে গতকাল বুধবার ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে একটি হিমবাহ ধস প্রধান কারণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’-এর স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে তাঁরা জানান, প্রায় ৫ হাজার ২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত একটি হিমবাহের নিচের অংশ ভেঙে উপত্যকায় আছড়ে পড়ে বিপর্যয়ের সূত্রপাত ঘটায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রায় ৫ হাজার ২০০ মিটার উচ্চতায় হিমবাহ ধসে বিপর্যয়ের সূত্রপাত
  • 📌 নেপালে মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে ১৬২ জনের, নিখোঁজ তিন শতাধিক পর্যটক
  • 📌 চীন সীমান্তেও তিন জনের মৃত্যু ও ৫৫৮ জন নিখোঁজের খবর
  • 📌 বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভূমিকম্প ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রয়েছে বিপর্যয়ে
  • 📌 নেপাল সরকার জানিয়েছে, ভূমিধসের কারণে লেন্দে নদীতে হিমবাহ-মিশ্রিত বন্যা দেখা দেয়

📰 বিস্তারিত

নেপালের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্যোগের কয়েক মিনিট আগে ওই অঞ্চলে ভূমিকম্প আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভূমিকম্পই যে মূল কারণ, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নেপাল সরকারের তথ্য অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬২ জন। এছাড়া তিন শতাধিক পর্যটক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে চীন সীমান্তে তিন জনের মৃত্যু ও ৫৫৮ জন নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে।

ভারতের সিকিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ভূতত্ত্বের অধ্যাপক বিক্রম গুপ্ত বলেন, ‘হিমবাহের অগ্রভাগের একটি বড় অংশ ধসে পড়ার মাধ্যমেই বিপর্যয়ের সূত্রপাত ঘটেছে। এর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর ও পলিমাটি উপত্যকায় নেমে আসে।’ কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগারির ভূবিজ্ঞানী ড্যান শুগার জানান, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুর্যোগের আগের ২৪ ঘণ্টায় ওই এলাকায় প্রচুর বরফ গলেছিল। তাঁর মতে, আবহাওয়ার উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দশকে নেপালের বরফাবৃত পর্বতগুলো প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বরফ হারিয়েছে। সংস্থাটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বের দুই প্রধান কার্বন নিঃসরণকারী দেশ ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী নেপালের হিমবাহগুলো পূর্ববর্তী দশকের তুলনায় গত এক দশকে ৬৫ শতাংশ দ্রুত গলে যাচ্ছে।

"নেপাল অংশে একটি বরফ ও পাথরের ধসের কারণেই এ আকস্মিক বন্যা হয়েছে। ভূমিকম্পই এ ট্র্যাজেডির মূল কারণ কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।"

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপাল-চীন সীমান্ত ক্রসিং থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ভূমিধসের কারণে লেন্দে নদীতে হিমবাহ-মিশ্রিত বন্যা দেখা দেয়। সংস্থাটির ভূতত্ত্ববিদ প্রকাশ পোখরেল বলেন, ‘স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিপর্যয়ের মূল কারণ ছিল বরফ ও পাথরের ধস।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিক্রম গুপ্ত (অধ্যাপক), ড্যান শুগার (ভূবিজ্ঞানী), প্রকাশ পোখরেল (ভূতত্ত্ববিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ১৬২ জন, নিখোঁজ ৩০০+ পর্যটক, চীন সীমান্তে মৃত্যু ৩ জন, নিখোঁজ ৫৫৮ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖