📌 ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্ধারিত মাসিক বর্জ্য সংগ্রহ ফি ১০০ টাকার বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ঘটনা চলছে। রসিদে ১২০ থেকে ২০০ টাকা লিখে হাতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু নিয়মিত ময়লা না নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত মাসিক ফি ১০০ টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ঠিকাদাররা রসিদে ১২০ থেকে ২০০ টাকা লিখে বাড়তি ৫০ থেকে ১০০ টাকা হাতে নিচ্ছেন। তবে এই অতিরিক্ত টাকার কোনো রসিদ দেওয়া হয় না। অন্যদিকে, নির্ধারিত ফি প্রদান করেও নিয়মিত ময়লা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে জমে থাকা বর্জ্য থেকে নাগরিকদের দুর্গন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএসসিসি নির্ধারিত বর্জ্য সংগ্রহ ফি ১০০ টাকা, কিন্তু রসিদে ১২০ থেকে ২০০ টাকা লিখে অতিরিক্ত ৫০ থেকে ১০০ টাকা হাতে নেওয়া হচ্ছে
- 📌 অতিরিক্ত টাকার কোনো রসিদ দেওয়া হয় না, যা চাঁদাবাজির সাক্ষ্য
- 📌 নির্ধারিত ফি প্রদান করেও নিয়মিত ময়লা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, ফলে বর্জ্য জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে
- 📌 সাত দিন অন্তর তদারকির নির্দেশনা মানা হয় না, ফলে নির্দেশনা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ
- 📌 অভিযোগ দিলে ময়লা নেওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নাগরিকরা
- 📌 রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
২০২৬ সালের মে মাসে প্রথম আলো প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বর্জ্য সংগ্রহের অতিরিক্ত ফি আদায়ের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছিল। সে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ডিএসসিসি প্রশাসক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তবে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তা সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
প্রশাসনিক নির্দেশনা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখনো কোনো বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সাত দিন অন্তর তদারকির প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তা মানা হয় না। ফলে নির্দেশনা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। নাগরিকদের অভিযোগ, অভিযোগ দিলে ময়লা নেওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত ঠিকাদারদের সাথে রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সম্পর্কের কথা বিভিন্ন সময়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নাগরিকদের সেবা দেওয়ার নামে এই চাঁদাবাজি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষের দাবি, এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। প্রশাসনিক নির্দেশনা মাঠে বাস্তবায়িত করতে সুষ্ঠুভাবে তদারকি করতে হবে।
মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা যদি তদারকিতে অনীহা প্রকাশ করেন বা নিয়মিত প্রতিবেদন না দেন, তবে তাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। নগর-পরিকল্পনাবিদদের পরামর্শেরও প্রয়োজন। ওয়ার্ডভিত্তিক ঠিকাদারদের তালিকা, নির্ধারিত ফি, অভিযোগ জানানোর নম্বর এবং অনিয়মে নেওয়া ব্যবস্থার তথ্য প্রকাশের সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতে হবে।
"আমরা মনে করি, এ সমস্যা সমাধানে ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। প্রশাসনিক নির্দেশনা যেন মাঠে বাস্তবায়িত হয়, সে জন্য সুষ্ঠুভাবে তদারকিতে জোর দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডিএসসিসি প্রশাসক, নাগরিকরা, ঠিকাদাররা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ টাকা (নির্ধারিত ফি), ১২০-২০০ টাকা (রসিদে লিখিত ফি), ৫০-১০০ টাকা (হাতে নেওয়া অতিরিক্ত ফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!