📌 রাশিয়া সিরিয়ার তর্তুস বন্দর ও হমিমিম বিমানঘাঁটিতে প্রথমবারের মতো নতুন চুক্তির অধীনে সামরিক সরবরাহ পৌঁছেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, রাশিয়ান জাহাজ 'স্পার্টা' ও 'আকাদেমিক পাশিন' তর্তুস বন্দরে ডক করেছে। সিরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে ১৮ মাসের বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী, এই দুটি ঘাঁটি 'সহযোগী প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতা বৃদ্ধি কেন্দ্র' হিসেবে রূপান্তরিত হবে
রাশিয়া সিরিয়ার তর্তুস বন্দরে প্রথমবারের মতো নতুন চুক্তির অধীনে সামরিক সরবরাহ পৌঁছিয়েছে। সিরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে আগস্টে স্বাক্ষরিত চুক্তির অধীনে, রাশিয়ান নৌবাহিনীর একটি চার-জাহাজী কনভয় ৭ সেপ্টেম্বর তর্তুস বন্দরে পৌঁছেছে। এই সরবরাহের মাধ্যমে রাশিয়া হমিমিম বিমানঘাঁটি ও তর্তুস বন্দরে অবস্থিত সামরিক সুবিধাগুলো পুনরায় সরবরাহ শুরু করেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, রাশিয়ান জাহাজ 'স্পার্টা' ও 'আকাদেমিক পাশিন' তর্তুস বন্দরে ডক করেছে। অন্যদিকে, রাশিয়ান ট্যাঙ্কার 'জেনারেল স্কোবেলেভ' বন্দর থেকে কিছু দূরে সমুদ্রে অবস্থান করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ সেপ্টেম্বর তর্তুস বন্দরে রাশিয়ান কনভয় পৌঁছায় — নতুন চুক্তির অধীনে প্রথমবারের মতো সরবরাহ শুরু
- 📌 স্যাটেলাইট চিত্রে প্রমাণিত: রাশিয়ান জাহাজ 'স্পার্টা' ও 'আকাদেমিক পাশিন' তর্তুস বন্দরে ডক করেছে
- 📌 ১৮ মাস পর স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, তর্তুস ও হমিমিম ঘাঁটি 'সহযোগী প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতা বৃদ্ধি কেন্দ্র' হিসেবে রূপান্তরিত হবে
- 📌 সিরিয়া বেসামরিক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ নেবে, তবে রাশিয়া সামরিক সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে থাকবে
- 📌 রাশিয়ান ট্যাঙ্কার 'জেনারেল স্কোবেলেভ' বন্দর থেকে কিছু দূরে অবস্থান করছে
- 📌 ব্যাপারটি রাশিয়ার মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র দুটি সামরিক ঘাঁটি (তর্তুস ও হমিমিম) রক্ষা করার প্রচেষ্টা
📰 বিস্তারিত
সিরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে ১৮ মাসের বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো রাশিয়া সামরিক সরবরাহ পৌঁছিয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, তর্তুস বন্দর ও হমিমিম বিমানঘাঁটি 'সহযোগী প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতা বৃদ্ধি কেন্দ্র' হিসেবে রূপান্তরিত হবে। তবে, সিরিয়া বেসামরিক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ নেবে, অন্যদিকে রাশিয়া সামরিক সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে থাকবে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, রাশিয়ান জাহাজ 'স্পার্টা' ও 'আকাদেমিক পাশিন' তর্তুস বন্দরে ডক করেছে। এই জাহাজ দুটি দীর্ঘকাল ধরে রাশিয়ার সিরিয়ায় সামরিক লজিস্টিকস পরিচালনা করছে।
রাশিয়া ২০২৪ সালে সিরিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে সিরিয়ায় নিজের প্রভাব পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছে। এই সময়ে, রাশিয়া নিজের মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র দুটি সামরিক ঘাঁটি (তর্তুস ও হমিমিম) রক্ষা করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সিরিয়ার নতুন সরকার এখনও বশার আল-আসাদের রাশিয়ায় আশ্রয় নেওয়ার বিষয়ে চাপ দিচ্ছে।
সিরিয়ার সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকে রাশিয়া ও সিরিয়ার মধ্যে আলোচনা চলছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ও সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারা'র মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে।
"এই দুটি সুবিধা 'সহযোগী প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতা বৃদ্ধি কেন্দ্র' হিসেবে রূপান্তরিত হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তর্তুস বন্দর, সিরিয়া; হমিমিম বিমানঘাঁটি, সিরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারা'
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ মাস (চুক্তি আলোচনা), ৪টি জাহাজ (কনভয়), ২টি সামরিক ঘাঁটি (তর্তুস ও হমিমিম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!