📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩০০ বছর পুরনো সেক্সট্যান্ট: মহাশূন্যে নভোচারীদের শেষ ভরসা কীভাবে বাঁচায় জীবন?

৩০০ বছর পুরনো সেক্সট্যান্ট: মহাশূন্যে নভোচারীদের শেষ ভরসা কীভাবে বাঁচায় জীবন?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মহাকাশে ডিজিটাল নেভিগেশন ব্যর্থ হলে ৩০০ বছরের পুরনো সেক্সট্যান্টই নভোচারীদের জীবন বাঁচাচ্ছে। নাসার নভোচারীরা জেমিনি ১২ ও অ্যাপোলো ১৩ মিশনে এই যন্ত্রের সাহায্যে পৃথিবীতে ফিরেছেন। আর্টেমিস মিশনেও এটি ব্যাকআপ নেভিগেশন হিসেবে ব্যবহৃত হবে

মহাশূন্যে ডিজিটাল নেভিগেশন ব্যর্থ হলে কীভাবে নভোচারীরা পৃথিবীর দিকে ফিরে আসবেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো একটি অ্যানালগ যন্ত্র — সেক্সট্যান্ট। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও এই প্রাচীন যন্ত্রটি নাসার নভোচারীদের জীবন বাঁচাতে প্রস্তুত রয়েছে। মহাকাশে সেক্সট্যান্টের সফলতা ইতিহাসে গড়েছে নতুন অধ্যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৭ শতকে নাবিকেরা তারা দেখে দিক নির্ধারণের জন্য ব্যবহার করতেন সেক্সট্যান্ট, এখন মহাকাশে নভোচারীদের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছে এটি
  • 📌 ১৯৬৬ সালে জেমিনি ১২ মিশনে বাজ অলড্রিন এবং ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩ মিশনে জিম লাভেল সেক্সট্যান্ট ব্যবহার করে পৃথিবীতে ফিরেছেন
  • 📌 ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পরীক্ষায় দেখা গেছে, জিরো গ্র্যাভিটিতে সেক্সট্যান্ট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কাজ করে
  • 📌 ওরিয়ন স্পেসক্রাফটে ব্যাকআপ নেভিগেশন হিসেবে সেক্সট্যান্ট রাখা হয়েছে, যদি আধুনিক ক্যামেরাভিত্তিক নেভিগেশন ব্যর্থ হয়
  • 📌 মহাকাশে দিক বের করার জন্য নভোচারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় মঙ্গল গ্রহ ও জেমিনি রাশিচক্রের তারা দেখে পথ চেনার

📰 বিস্তারিত

মহাকাশে ডিজিটাল নেভিগেশন ব্যর্থ হলে কীভাবে নভোচারীরা পৃথিবীর দিকে ফিরে আসবেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো একটি অ্যানালগ যন্ত্র — সেক্সট্যান্ট। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও এই প্রাচীন যন্ত্রটি নাসার নভোচারীদের জীবন বাঁচাতে প্রস্তুত রয়েছে। মহাকাশে সেক্সট্যান্টের সফলতা ইতিহাসে গড়েছে নতুন অধ্যায়।

১৭ শতকে সমুদ্রের বুকে নাবিকেরা তারা দেখে দিক নির্ধারণের জন্য সেক্সট্যান্ট ব্যবহার করতেন। এখন মহাকাশে এই যন্ত্রটি নভোচারীদের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছে। নাসার নভোচারীরা ইতিহাসে দু’বার সেক্সট্যান্টের সাহায্যে পৃথিবীতে ফিরেছেন। ১৯৬৬ সালে জেমিনি ১২ মিশনে রাডার নষ্ট হলে নভোচারী বাজ অলড্রিন সেক্সট্যান্ট ব্যবহার করে পথ খুঁজে নেন। এরপর ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩ মিশনে বড় ধরনের দুর্ঘটনার পর জিম লাভেল খালি চোখে এই যন্ত্রের সাহায্যে পৃথিবীকে পর্যবেক্ষণ করে মহাকাশযানকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন।

২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ম্যানুয়াল সেক্সট্যান্ট পরীক্ষা করে দেখা গেছে, জিরো গ্র্যাভিটিতেও এটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কাজ করে। ওরিয়ন স্পেসক্রাফটে আধুনিক ক্যামেরাভিত্তিক অপটিক্যাল নেভিগেশন ব্যাকআপ হিসেবে থাকে। তবে এটি ব্যর্থ হলে নভোচারীরা হাত দিয়ে চালানো সেক্সট্যান্ট ব্যবহার করবেন। যন্ত্রটির কোণগুলো গোল করে এবং দেয়ালে আটকে রাখার ফাস্টেনার যুক্ত করে এটিকে মহাকাশে ব্যবহারের উপযোগী করা হয়েছে। এমনকি সেক্সট্যান্ট না থাকলেও কোনো তারা চাঁদ বা পৃথিবীর পেছনে কখন অদৃশ্য হচ্ছে, সেই সময় মেপে নভোচারীরা অবস্থান বের করতে পারেন।

মহাকাশে দিক বের করার জন্য নভোচারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় মঙ্গল গ্রহ ও জেমিনি রাশিচক্রের তারা দেখে পথ চেনার। নাসার ওরিয়ন স্পেসক্রাফট এবং আর্টেমিস মিশনের নেভিগেশন ম্যানেজার গ্রেগ হোল্ট বিবিসিকে জানান, পৃথিবী থেকে যত দূরে যাওয়া যায়, উপগ্রহভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা তত কমে। তাই প্রাচীন এই তারা দেখা বা স্টার সাইটিং কৌশলই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমাধান।

"পৃথিবী থেকে যত দূরে যাওয়া যায়, উপগ্রহভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা তত কমে। তাই প্রাচীন এই তারা দেখা বা স্টার সাইটিং কৌশলই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমাধান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাশূন্য, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, ওরিয়ন স্পেসক্রাফট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাজ অলড্রিন, জিম লাভেল, গ্রেগ হোল্ট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ বছর, ১৭ শতক, ১২ (জেমিনি ১২), ১৩ (অ্যাপোলো ১৩)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖