📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় মার্কিন শক্তির নতুন চালিকা শক্তি হয়ে উঠছে জ্বালানি খাত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় মার্কিন শক্তির নতুন চালিকা শক্তি হয়ে উঠছে জ্বালানি খাত

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও যুদ্ধের কারণে কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। বিপরীতে মার্কিন শক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সেই শূন্যতা পূরণ করে রেকর্ড মুনাফা অর্জন করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি আধিপত্য বিস্তারের নতুন কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তি আধিপত্য বিস্তারের নতুন সুযোগ পাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলায় ১৭টি তেলক্ষেত্রের উপর ১০০ বছরের জন্য চুক্তি করেছেন, যা থেকে ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করা সম্ভব হবে। একই সময়ে কাতারের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি তাদের ইউরোপীয় ক্রেতা এডিসনকে জানিয়েছে, তারা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে বলপ্রয়োগের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত সরবরাহ স্থগিত রাখবে। ইতোমধ্যে পাঁচটি কার্গো বাতিল করা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস। এই চুক্তিটি ২০০৯ সাল থেকে চালু রয়েছে এবং সাধারণত ইতালির বার্ষিক চাহিদার প্রায় দশমাংশ পূরণ করে থাকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলায় ১০০ বছরের জন্য ১৭টি তেলক্ষেত্রের চুক্তি করেছেন, যা থেকে ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করা সম্ভব
  • 📌 কাতার তাদের ইউরোপীয় ক্রেতা এডিসনকে জানিয়েছে, এলএনজি সরবরাহ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে
  • 📌 ইতোমধ্যে কাতার থেকে ২৯টি কার্গো বাতিল করা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস
  • 📌 মার্কিন শক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ঘাটতি পূরণ করে রেকর্ড মুনাফা অর্জন করছে

📰 বিস্তারিত

দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে একটি চুক্তি ছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং সমুদ্রপথ খোলা রাখবে। বিনিময়ে উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের জ্বালানি সরবরাহ করবে এবং তা ডলারে লেনদেন করবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য লাভজনক। কিন্তু বর্তমানে সেই চুক্তির ধরণ পাল্টে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন কেবল নিরাপত্তা প্রদানকারী নয়, বরং প্রতিযোগিতায় নেমেছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ঘাটতির সুযোগ নিয়ে নিজেদের লাভবান করছে।

ছয় মাসের যুদ্ধের কারণে কাতারের এলএনজি রপ্তানি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে মার্কিন তেল ও গ্যাস প্রতিষ্ঠানগুলো সেই শূন্যতা পূরণ করে রেকর্ড মুনাফা অর্জন করছে। মার্কিন সরকার ও বেসরকারি শক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ওয়াশিংটন ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর উপর কৌশলগত প্রভাব বজায় রাখতে চায়, অন্যদিকে শক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো লাভজনক চুক্তি ও নতুন গ্রাহক খুঁজছে। ট্রাম্প এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটাচ্ছেন ‘শক্তি আধিপত্য’ নামে একটি নীতির মাধ্যমে।

ইসরায়েলও এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মার্কিন প্রতিষ্ঠান শেভরন ইসরায়েলের দুটি প্রধান গ্যাসক্ষেত্র লেভিয়াথান ও তামার পরিচালনা করছে। লেভিয়াথান গ্যাসক্ষেত্র সম্প্রসারণের জন্য গত বছর মিশরের সাথে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ফলে ইসরায়েল পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, যা মার্কিন প্রভাবের অংশ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

"biggest oil deal in history"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ বছর, ১৭টি তেলক্ষেত্র, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল, ৩.৮ বিলিয়ন ঘনমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖