📌 সরকার আগামী বছর থেকে দেশের ৬৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি চালু করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জুতা ও স্কুলব্যাগ দেওয়ার কার্যক্রমও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
খুলনা জেলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন যে, সরকার আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকে সারা দেশের ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি চালু করবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার ১৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কর্মসূচি চালু রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামী বছর থেকে দেশের ৬৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হবে
- 📌 প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জুতা ও স্কুলব্যাগ দেওয়ার বিদ্যমান কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে
- 📌 পাইকগাছা উপজেলার ১৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি চালু রয়েছে
- 📌 সরবরাহকৃত খাবার পচা বা নষ্ট পাওয়া গেলে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ১৪ হাজার ৫০০ জন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বৃহস্পতিবার খুলনা জেলার একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি চালুর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জুতা ও স্কুলব্যাগ প্রদানের কার্যক্রমও সম্প্রসারণ করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নির্দেশ দিয়েছি, সরবরাহ করা কোনো খাবার পচা বা নষ্ট পাওয়া গেলে তা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরবররাহকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, সরকার ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ১৪ হাজার ৫০০ জন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে কাজ করছে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সব শূন্য পদে আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘বিগত বছরগুলোয় শিক্ষার মান কমে গেলেও বর্তমান সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার আগামী দিনগুলোয় সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কিন্ডারগার্টেনগুলোকে তদারকি ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসবে। তিনি বলেন, সরকারি সেবাসমূহের মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
‘পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নির্মিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ত্রুটিপূর্ণ নকশার কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।’ — ববি হাজ্জাজ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬ হাজার বিদ্যালয়, ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থী, ১৪ হাজার ৫০০ শিক্ষক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!