📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতার দপ্তরে নজরুলের লেখা বাজেয়াপ্ত করতে গিয়ে প্রশাসকের বিবেক জাগ্রত হয়েছিল

কলকাতার দপ্তরে নজরুলের লেখা বাজেয়াপ্ত করতে গিয়ে প্রশাসকের বিবেক জাগ্রত হয়েছিল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার সরকারি দপ্তরে কর্মরত হরিদাস মুখোপাধ্যায়ের দায়িত্ব ছিল রাজদ্রোহী লেখা শনাক্ত করা। কাজী নজরুল ইসলামের লেখা পড়ে তার বিবেক জাগ্রত হয়। তিনি নিজের হাতে নিষিদ্ধ লেখাগুলোর নকল সংগ্রহ করতে শুরু করেন

কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার একটি ঘরে সরকারি কর্মকর্তা হরিদাস মুখোপাধ্যায়ের টেবিলে থাকত তিনটি জিনিস—সরকারি সিল, নীল পেনসিল ও কালো কালি। তার দায়িত্ব ছিল রাজদ্রোহী লেখা চিহ্নিত করা এবং প্রকাশ্যে না আসতে দেওয়া। বিশেষ করে ‘কাজী নজরুল ইসলাম’ নামটি দেখলেই তিনি সতর্ক হয়ে যেতেন। নজরুলের লেখায় আগুন, যুদ্ধের দামামা, শঙ্খধ্বনি থাকত বলে তা প্রকাশ করা যেত না। হরিদাস নিয়মমতো কয়েকটি কবিতার পাশে ‘প্রকাশযোগ্য নয়’ লেখেন। কিন্তু তার স্ত্রী সরোজকে কিছুই বলেননি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতার সরকারি দপ্তরে কর্মরত ছিলেন হরিদাস মুখোপাধ্যায়
  • 📌 তার কাজ ছিল রাজদ্রোহী লেখা শনাক্ত করে বাজেয়াপ্ত করা
  • 📌 কাজী নজরুল ইসলামের লেখায় ‘আগুন’, ‘যুদ্ধের দামামা’ থাকত বলে তা প্রকাশ করা হতো না
  • 📌 হরিদাস স্ত্রী সরোজকে নিজের কাজ সম্পর্কে কিছুই বলতেন না
  • 📌 নজরুলের লেখা পড়ে হরিদাসের বিবেক জাগ্রত হয় এবং তিনি নিজের হাতে লেখাগুলোর নকল সংগ্রহ করতে শুরু করেন

📰 বিস্তারিত

কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় হরিদাস মুখোপাধ্যায়ের টেবিলে থাকত সরকারি সিল, নীল পেনসিল ও কালো কালি। তার কাজ ছিল রাজদ্রোহী লেখা শনাক্ত করা এবং প্রকাশ্যে না আসতে দেওয়া। বিশেষ করে কাজী নজরুল ইসলামের লেখা দেখলেই তিনি সতর্ক হয়ে যেতেন। নজরুলের লেখায় ‘স্বাধীনতা’, ‘শৃঙ্খল’, ‘রক্ত’, ‘সাম্য’ শব্দগুলো থাকত বলে তা প্রকাশ করা যেত না। হরিদাস নিয়মমতো কয়েকটি কবিতার পাশে ‘প্রকাশযোগ্য নয়’ লেখেন। কিন্তু তার স্ত্রী সরোজকে নিজের কাজ সম্পর্কে কিছুই বলেননি।

হরিদাস কলেজে পড়ার সময় বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়তেন। কিন্তু চাকরি শুরু করার পর সাহিত্য তার কাছে কেবল ফাইলের স্তূপ হয়ে উঠেছিল। তবে নজরুলের লেখা তাকে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে ফেলত। নজরুলের ভাষায় আরবি-ফারসি, সংস্কৃত ও লোকজ শব্দের মিশ্রণ থাকত। হরিদাস ভাবতেন, যে ভাষাকে শুদ্ধতার নামে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল, সেই ভাষা কীভাবে এত মানুষের হয়ে উঠতে পারে।

২৩ নভেম্বর তারিখটি হরিদাসের কাছে বিশেষ হয়ে উঠেছিল। ওই দিনই কুমিল্লা থেকে কাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। হরিদাস বুঝতে পারেন, একটি কবিতা, একটি বই আর একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সবই একই সুতোয় বাঁধা। তিনি সেই ফাইলেও স্বাক্ষর করেন। কিন্তু তার মনে অপরাধবোধ জাগ্রত হয়। কয়েক মাস পর আদালতে নজরুলের জবানবন্দি দপ্তরে আসে। হরিদাস তা পড়ে থেমে যান। সেখানে ছিল এমন একজন মানুষের কণ্ঠ, যে নিজের বিবেককে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

"লেখার থেকে লেখক বিপজ্জনক। তিনি মানুষকে ভয় পেতে শেখান না। মানুষের ভেতরের সত্যিকারের সাহসটাকে জাগিয়ে তোলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হরিদাস মুখোপাধ্যায়, কাজী নজরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖