📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিষপ্রয়োগে ১৪ লাখ টাকার মাছ লুট: পুকুরের মালিক অভিযোগ দেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিষপ্রয়োগে ১৪ লাখ টাকার মাছ লুট: পুকুরের মালিক অভিযোগ দেন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের দক্ষিণ শহর এলাকার একটি পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে প্রায় ১৪ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী মো. জাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, নিমাই হলদারসহ অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনের দায়িত্বে থাকা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ লুট করা হয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ শহর এলাকায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে জাল দিয়ে প্রায় ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী মো. জাহিদুল ইসলাম সেলিম (৫৫) সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের দক্ষিণ শহর এলাকার ৪ দশমিক ৯৮ একর পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে লুট করা হয়
  • 📌 নিমাই হলদারসহ অজ্ঞাত ৩০ থেকে ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন মো. জাহিদুল ইসলাম সেলিম
  • 📌 প্রায় ১০০ মণ মাছ লুট করা হয়, যার বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা; বিষপ্রয়োগে ১৫ মণ পোনা মারা যায়
  • 📌 অভিযোগকারীর দাবি, মোট ক্ষতি ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা
  • 📌 অভিযুক্ত নিমাই হলদার বলেন, ‘মাছ ধরার জন্য শ্রমিক হিসেবে নিয়ে গিয়েছিল’
  • 📌 সদর মডেল থানার ওসি একরামুল হোসাইন বলেন, ‘তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

📰 বিস্তারিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ শহর এলাকায় অবস্থিত একটি পুকুরে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য লিজ নেন মো. সারিউল ইসলামসহ কয়েকজন। এই পুকুরের মাছ চাষের দায়িত্ব নেন অভিযোগকারী জাহিদুল ইসলাম সেলিম। তিনি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছিলেন।

১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৩টা ১০ মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নিমাই হলদারসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ জন পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেন। পরে তারা কাপাজাল দিয়ে প্রায় ১০০ মণ মাছ ধরে নিয়ে যান। এসব মাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা। বিষের প্রভাবে পুকুরের প্রায় ১৫ মণ পোনা মাছ মারা যায়, যার মূল্য ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। পানিতে ভেসে উঠা আরও প্রায় ১০ মণ মাছ স্থানীয় লোকজন ধরে নিয়ে যান, যার মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

জাহিদুল ইসলাম সেলিম অভিযোগ করেন, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি পুকুরে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারেন। অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের না পেয়ে তিনি থানায় অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত নিমাই হলদার ফোনে বলেন, ‘আমাদের একজন মাছ ধরার জন্য শ্রমিক হিসেবে নিয়ে গিয়েছিল’। তার নাম ও মোবাইল নম্বর চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে ফোন করে তার নাম ও মোবাইল নম্বর চাইলে তিনি দেবেন বলে আর ফোন ধরেননি।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।

"আমাদের একজন মাছ ধরার জন্য শ্রমিক হিসেবে নিয়ে গিয়েছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, দক্ষিণ শহর এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহিদুল ইসলাম সেলিম, নিমাই হলদার, একরামুল হোসাইন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা (ক্ষতি), ১০০ মণ (লুট করা মাছ), ১৫ মণ (মারা পোনা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖