📌 কলকাতা হাইকোর্ট ৩৬ মিনিটের 'দ্য ফ্রেন্ডশিপ ফাইলস' প্রামাণ্যচিত্র প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আদানির সংস্থা মানহানির দাবিতে ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ চেয়েছে। বিচারপতি আর্যক দত্ত বলেছেন, ভিডিওতে অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই
কলকাতা হাইকোর্ট ৩৬ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্র 'দ্য ফ্রেন্ডশিপ ফাইলস: হাউ মোদি অ্যান্ড আদানি স্টোল ইন্ডিয়া' প্রকাশ ও শেয়ার করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে। প্রামাণ্যচিত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শিল্পপতি গৌতম আদানির সম্পর্ক নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতা হাইকোর্ট ৩৬ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্র প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, যা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে
- 📌 আদানির সংস্থা 'আদানি এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড' মানহানির দাবিতে ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ চেয়েছে
- 📌 ইন্টারনেট উদ্যোক্তা সাবির ভাটিয়া ৯ অক্টোবর ইউটিউব ও এক্সে প্রামাণ্যচিত্র পোস্ট করেছিলেন
- 📌 বিচারপতি আর্যক দত্ত বলেছেন, ভিডিওতে অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই, তবে সুনামহানির কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাধা দেওয়া হয়েছে
- 📌 আদালত ইউটিউব, এক্স ও ইনস্টাগ্রামকে অ্যাকাউন্টের তথ্য সংরক্ষণ করতে আদেশ দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি আর্যক দত্ত মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বলেছেন, প্রামাণ্যচিত্রটি কোনো সাধারণ সংবাদ প্রতিবেদন নয়। এতে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোর কোনো উপযুক্ত প্রমাণ নেই। আদালতের মতে, ভিডিওটি নাটকীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং শিরোনামটি চুরি বা আত্মসাতের ইঙ্গিত দেয়। তবে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, প্রমাণসহ গঠনমূলক সমালোচনা বা সত্য প্রকাশে কোনো বাধা নেই।
সাবির ভাটিয়া প্রামাণ্যচিত্রে দাবি করেছেন যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শিল্পপতি গৌতম আদানির মধ্যে দুর্নীতির সম্পর্ক রয়েছে। ভিডিওতে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে, মোদি আদানিকে বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পে সুবিধা প্রদান করেছেন। তবে আদালত এই দাবির কোনো প্রমাণ খুঁজে পায়নি।
বিচারপতি দত্ত আরও বলেছেন, ভিডিওটি একবার মুছে দেওয়ার পরও সাবির ভাটিয়া আবার আপলোড করেছেন। এই আচরণ প্রথম দর্শনে সদ্ভাবের অভাব প্রকাশ করেছে। ইন্টারনেটে এ ধরনের কনটেন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সুনামহানি হয়। আদালত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে সংশ্লিষ্ট ভিডিওটি মুছে ফেলা এবং এর সব লিঙ্ক ও শেয়ার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।
"আদানি তাঁর ক্ষতির পরিমাণ ৫০ কোটি রুপি ধার্য করলেও আমি নিজে এই সুনামের মূল্য শূন্য রুপি বলে মনে করি। অন্যায়ভাবে অর্জিত ধনসম্পদ কখনো সুনাম এনে দেয় না।"
সাবির ভাটিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, সুনামহানির মূল্য যদি শূন্য হয়, তবে ক্ষতিপূরণের পরিমাণও শূন্য হওয়াই উচিত।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, গৌতম আদানি, সাবির ভাটিয়া, বিচারপতি আর্যক দত্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্র, ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ, ৯ অক্টোবর, ৩১ জানুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!