📌 অস্ট্রেলিয়ায় জনপ্রিয় ২০টি সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টি প্যাকেটে উল্লেখিত এসপিএফ প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা টিজিএ নতুন নিয়ম প্রস্তাব করেছে যেখানে প্রস্তুতকারকদের পণ্যের এসপিএফ পরীক্ষা জমা দিতে হবে।
অস্ট্রেলিয়ায় জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের জালিয়াতি সম্পর্কে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে একটি নতুন তদন্ত। দেশটির ওষুধ ও চিকিৎসাপণ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিজিএ) প্রস্তাব করেছে কঠোর নিয়ম চালু করার, যেখানে সানস্ক্রিন প্রস্তুতকারকদের পণ্যের সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর (এসপিএফ) পরীক্ষার ফল নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দিতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়ায় ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টি প্যাকেটে উল্লেখিত এসপিএফ প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে
- 📌 'আলট্রা ভায়োলেট'-এর 'লিন স্ক্রিন এসপিএফ ৫০+ ম্যাটিফাইং জিংক স্কিনস্ক্রিন'ের এসপিএফ মাত্র ৪ পাওয়া গেছে (প্রতিশ্রুতি ছিল ৫০+)
- 📌 বন্ডি স্যান্ডসের এসপিএফ ৫০+ জিংক মিনারেল বডি লোশনের এসপিএফ পরীক্ষায় পাওয়া যায় মাত্র ২৬
- 📌 নিয়ন্ত্রক সংস্থা টিজিএ নতুন নিয়ম প্রস্তাব করেছে যেখানে পণ্যের চূড়ান্ত পরীক্ষা ও মেয়াদকালজুড়ে পুনরাবৃত্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে
- 📌 ভোক্তা অধিকার সংগঠন চয়েসের পরিচালক অ্যান্ডি কেলি নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পরীক্ষার ফল জনসমক্ষে প্রকাশ ও নিয়ন্ত্রণে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করেছেন
📰 বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়ার ওষুধ ও চিকিৎসাপণ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিজিএ) সানস্ক্রিন প্রস্তুতকারকদের জন্য নতুন নিয়ম প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, বাজারজাত করার আগে প্রস্তুতকারকদের শুধু মূল উপাদানের মিশ্রণ নয়, বরং বিক্রির জন্য তৈরি চূড়ান্ত পণ্যটির সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর (এসপিএফ) পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষার ফল নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেওয়ার পাশাপাশি পণ্যের মেয়াদকালজুড়েও পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে। বর্তমান নিয়মে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশেষভাবে না চাইলে প্রস্তুতকারকদের এসপিএফ পরীক্ষার ফল জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।
ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সংগঠন চয়েসের গত বছর পরিচালিত তদন্তে ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টি প্যাকেটে উল্লেখিত এসপিএফ প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষত 'আলট্রা ভায়োলেট'-এর 'লিন স্ক্রিন এসপিএফ ৫০+ ম্যাটিফাইং জিংক স্কিনস্ক্রিন' পণ্যের এসপিএফ পরীক্ষায় মাত্র ৪ পাওয়া গেছে, যেখানে প্যাকেটে এসপিএফ ৫০+ উল্লেখ ছিল। অন্যদিকে বন্ডি স্যান্ডসের এসপিএফ ৫০+ জিংক মিনারেল বডি লোশনের এসপিএফ পরীক্ষায় পাওয়া যায় মাত্র ২৬ এবং তাদের এসপিএফ ৫০+ ফ্র্যাগরেন্স ফ্রি সানস্ক্রিনের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় ৩২।
গত বছর প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা আভা চ্যান্ডলার-ম্যাথিউজ ও বেক জেফার্ড গ্রাহকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন এবং পণ্য ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারা গ্রাহকদের কাছে অর্থ ফেরতের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। ভোক্তা-প্রভাববিষয়ক পরিচালক অ্যান্ডি কেলি নতুন নিয়ম প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন, তবে তিনি নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পরীক্ষার ফল জনসমক্ষে প্রকাশ এবং নিয়ন্ত্রণে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার ক্যানসার কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতি তিনজনের দুজন জীবদ্দশায় ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। এ রোগে বছরে প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
"বিক্রির জন্য তৈরি চূড়ান্ত পণ্যটির এসপিএফ পরীক্ষা অবশ্যই জমা দিতে হবে এবং মেয়াদকালজুড়ে পুনরাবৃত্তি পরীক্ষা চালানো উচিত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান্ডি কেলি (চয়েসের পরিচালক), আভা চ্যান্ডলার-ম্যাথিউজ ও বেক জেফার্ড (প্রতিষ্ঠাতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টি জালিয়াতি, এসপিএফ ৫০+ প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!