📌 মস্কোতে ২৮-২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হচ্ছে আফ্রিকা-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের তৃতীয় আসর। ৪৮টি আফ্রিকান দেশের প্রতিনিধি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে আলোচনা হবে বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি সম্পর্কে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া আফ্রিকায় নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়িয়ে চলেছে
মস্কোতে ২৮ ও ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হচ্ছে আফ্রিকা-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের তৃতীয় আসর। এই দুই দিনের বৈঠকে ৪৮টি আফ্রিকান দেশের প্রতিনিধি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে আলোচনা হবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি সম্পর্কে। এই সম্মেলনটি আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট ইভারিস্ট নদায়িশিমিয়ে ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের যৌথভাবে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮-২৯ অক্টোবর মস্কোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আফ্রিকা-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের তৃতীয় আসর, যেখানে ৪৮টি আফ্রিকান দেশের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।
- 📌 সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু হলো বাণিজ্য, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, খাদ্য ও শক্তি নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও যুব সাংস্কৃতিক বিনিময়।
- 📌 ২২ জন রাষ্ট্রপ্রধান অংশগ্রহণ করছেন, যার মধ্যে রয়েছে মিশরের আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি, ইথিওপিয়ার আবিয় আহমেদ, বুর্কিনা ফাসোর ইব্রাহিম ত্রোরে, নাইজারের আবদুরহমান তশিয়ানী, কেনিয়ার উইলিয়াম রুটো ও উগান্ডার ইয়াওয়ারি মুসেভেনি।
- 📌 রাশিয়া-আফ্রিকা সম্পর্কের মূল ক্ষেত্র হলো শক্তি, উর্বরক, প্রতিরক্ষা ও নিউক্লিয়ার শক্তি। ২০২৩ সালে রাশিয়া মালি, সোমালিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, বুর্কিনা ফাসো, ইরিত্রিয়া ও জিম্বাবুয়ে-তে মোট ২০০,০০০ টন ধান রপ্তানি করেছে।
- 📌 এই সম্মেলনটি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার আফ্রিকায় নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক প্রভাব বৃদ্ধির একটি সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
আফ্রিকা-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনটি একটি উচ্চ-প্রোফাইল বৈঠক, যেখানে ৪০টি সেশনে প্রায় ১০০ জন বক্তা অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক থিম হলো "সহযোগিতা বৃদ্ধি করে প্রতিটি আফ্রিকান দেশের সম্ভাবনা উন্মোচন"। এই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, খাদ্য ও শক্তি নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং যুব বিনিময়ের মতো বিষয় আলোচিত হবে।
রাশিয়া-আফ্রিকা সম্পর্কের মূল ক্ষেত্র হলো শক্তি, উর্বরক, প্রতিরক্ষা ও নিউক্লিয়ার শক্তি। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি রোসাতমের সাথে আফ্রিকান দেশগুলো নিউক্লিয়ার শক্তি সম্পর্কে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি, রাশিয়া আফ্রিকান দেশগুলোকে উর্বরক ও ধান সরবরাহ করে আসছে। ২০২৩ সালে রাশিয়া মালি, সোমালিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, বুর্কিনা ফাসো, ইরিত্রিয়া ও জিম্বাবুয়ে-তে মোট ২০০,০০০ টন ধান রপ্তানি করেছে।
২০১৯ সালে প্রথম সম্মেলনে ৪৩ জন রাষ্ট্রপ্রধান অংশ নেন, কিন্তু পরবর্তী দুই বার অংশগ্রহণ কমে যায়। রাশিয়া পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে এই কমতি দায়ী করে। এই সম্মেলনটি রাশিয়া-আফ্রিকা সম্পর্কের বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যতের দিকে নজর দেবে।
"প্রতিটি আফ্রিকান দেশের সম্ভাবনা উন্মোচন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মস্কো, রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট ইভারিস্ট নদায়িশিমিয়ে, মিশরের আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি, ইথিওপিয়ার আবিয় আহমেদ, বুর্কিনা ফাসোর ইব্রাহিম ত্রোরে, নাইজারের আবদুরহমান তশিয়ানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮টি আফ্রিকান দেশের প্রতিনিধি, ২২ জন রাষ্ট্রপ্রধান, ৪০টি সেশন, ১০০ জন বক্তা, ২০০,০০০ টন ধান রপ্তানি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!