📌 ইসরায়েলের ডানপন্থি রাজনীতিতে ইরগুন মিলিশিয়ার উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। ইরগুন মিলিশিয়ার অস্ত্রবাহী জাহাজ আলতালেনার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কারের পর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন-গভির নিজেদের দলের ঐতিহ্য দাবি করছেন।
ইসরায়েলের ডানপন্থি রাজনীতিতে ইরগুন মিলিশিয়ার উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। ইরগুন মিলিশিয়ার অস্ত্রবাহী জাহাজ আলতালেনার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কারের পর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির নিজেদের দলের ঐতিহ্য দাবি করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সোমবার ইরগুন মিলিশিয়ার কার্গো জাহাজ আলতালেনার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কারের ঘোষণা দেন
- 📌 জাহাজটি ফ্রান্স থেকে অস্ত্র নিয়ে আসছিল এবং ১৯৪৮ সালের জুনে ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়নের নির্দেশে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল
- 📌 প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইটজেল মিউজিয়ামে এক ভিডিও বার্তায় নিজেকে ইরগুনের উত্তরাধিকারী হিসেবে তুলে ধরেন
- 📌 ইরগুন মিলিশিয়া ১৯৪৮ সালের যুদ্ধে শতাধিক ফিলিস্তিনির হত্যা ও নির্যাতনের জন্য দায়ী বলে অভিযোগ রয়েছে
- 📌 ইরগুন মিলিশিয়া দেইর ইয়াসিন গ্রামে শতাধিক নারী ও শিশুসহ গ্রামবাসীকে হত্যা করে
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের ডানপন্থি রাজনীতিতে ইরগুন মিলিশিয়ার উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। ইরগুন মিলিশিয়ার অস্ত্রবাহী জাহাজ আলতালেনার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কারের পর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির নিজেদের দলের ঐতিহ্য দাবি করছেন।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সোমবার ইরগুন মিলিশিয়ার কার্গো জাহাজ আলতালেনার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কারের ঘোষণা দেন। জাহাজটি ফ্রান্স থেকে অস্ত্র নিয়ে আসছিল এবং ১৯৪৮ সালের জুনে ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়নের নির্দেশে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইটজেল মিউজিয়ামে এক ভিডিও বার্তায় নিজেকে ইরগুনের উত্তরাধিকারী হিসেবে তুলে ধরেন। নেতানিয়াহু তার দল লিকুদকে ইরগুনের উত্তরাধিকারী হিসেবে দাবি করেন। তিনি বলেন, "আমরা ভাই, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হলেও আমরা এক জাতির সন্তান।"
ইরগুন মিলিশিয়া ১৯৪৮ সালের যুদ্ধে শতাধিক ফিলিস্তিনির হত্যা ও নির্যাতনের জন্য দায়ী বলে অভিযোগ রয়েছে। এপ্রিল ১৯৪৮ সালে ইরগুন মিলিশিয়া দেইর ইয়াসিন গ্রামে শতাধিক নারী ও শিশুসহ গ্রামবাসীকে হত্যা করে। কয়েক সপ্তাহ পরে ইরগুন মিলিশিয়া জাফা শহর লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করে, যার ফলে শহরের অধিকাংশ ফিলিস্তিনি জনগণ পালিয়ে যায়।
"ইরগুন ছিল একটি ফ্যাসিবাদী, আরব-বিরোধী সংগঠন, যারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধেও সহিংসতা চালিয়েছিল, যার ফলে অনেক আরব ও ব্রিটিশের মৃত্যু ঘটে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেতানিয়াহু, ইতামার বেন-গভির, ইরগুন মিলিশিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!