📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে বিএনপির স্থানীয় নেতা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে বারবার ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে বিএনপির স্থানীয় নেতা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুসারে, ওই ছাত্রীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে
- 📌 ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ভয় দেখানোর অভিযোগ
- 📌 ছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন
- 📌 মামলায় রফিকুল ইসলামসহ পাঁচজনের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
- 📌 দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন নারীসহ মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
২০২২ সালের ২০ নভেম্বর স্কুল থেকে ফেরার পথে বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ওই ছাত্রীকে একটি বাসায় নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। সেখানে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বারবার তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
২০২৫ সালের মার্চের প্রথম সপ্তাহে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সর্বশেষ ২৮ জুলাই রফিকুল ইসলাম তাকে আবারও ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
১ আগস্ট ছাত্রীটি চট্টগ্রামে বড় ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে তারা ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার বিবরণ দেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৮ আগস্ট তাকে চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আলট্রাসনোগ্রাম করে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মামলার দুই নম্বর আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগের বিষয়টি জানার পর দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নিয়ে রফিকুল ইসলামকে সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
"রফিকুল ইসলামকে দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেন্দুয়া, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুল ইসলাম (৫৫), মোয়াজ্জেম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫, ৫০, ২০, ১৮, ২৮, ১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!