📌 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্রোহ ও সাম্যের চেতনা অন্যায় ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান অনুপ্রেরণা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এ কথা বলেন
ঢাকা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম ও দ্রোহের চেতনা যে কোনো অন্যায়, অবিচার ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম অন্যায় ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা
- 📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন
- 📌 নজরুলের গান ও কবিতা স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তরুণদের অনুপ্রাণিত করেছে
- 📌 রাষ্ট্রযন্ত্রের ঔপনিবেশিক মানসিকতার বিরুদ্ধে নজরুল ছিলেন প্রথম সুর ধ্বনিতকারী
📰 বিস্তারিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম ও দ্রোহের চেতনা যে কোনো অন্যায়, অবিচার ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘সামাজিক অন্যায়, অবিচার ও অনাচারের বিরুদ্ধে নজরুলের শানিত লেখনী ছিল কষাঘাতের মতো। তার শৈল্পিক লেখনী ও সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে দ্রোহের প্রকাশ ঘটেছে, তা সব কালকে অতিক্রম করে গেছে।’
রিজভী আরও বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলামকে মূলত কবি হিসেবেই পরিচয় দেওয়া হলেও সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই, যেখানে তার বিচরণ ছিল না। তিনি ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও গীতিকার। তার বিপুলসংখ্যক গান বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘রাষ্ট্রযন্ত্রে বসে থাকা ঔপনিবেশিক শক্তির চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে নজরুল এই উপমহাদেশে স্বাধীনতার প্রথম সুর ধ্বনিত করেছিলেন। তিনি নতুন বাণী, বিপ্লবের বাণী প্রচার করেছিলেন। এ কারণেই তিনি যুগান্তরের কবি।’
জাতীয় কবির সাহিত্যকর্মের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আজও মানুষ যখন জুলুম, নিপীড়ন ও অত্যাচারের মধ্যে পড়ে কিংবা চারদিকে হতাশা ও ফ্যাসিবাদ দেখতে পায়, তখন কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান প্রতিবাদ করতে অনুপ্রাণিত করে। যত বড় শৃঙ্খলই হোক, যত বড় নিপীড়নের খড়গই হোক, তা ভেঙে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি নজরুলের সাহিত্য থেকে পাওয়া যায়।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন আন্দোলনে তরুণ-কিশোররা নজরুলের গান গাইতে গাইতে রাজপথে নেমেছে। নজরুলের গান ও কবিতা তাদের সাহস ও শক্তি জুগিয়েছে।’ জাতীয় কবির চেতনা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশ ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কেউ ষড়যন্ত্র করলে তার বিরুদ্ধে যে দ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে, তার অন্যতম প্রধান উৎস কাজী নজরুল ইসলামের গান, কবিতা ও সাহিত্যকর্ম।’
‘সামাজিক অন্যায়, অবিচার ও অনাচারের বিরুদ্ধে নজরুলের শানিত লেখনী ছিল কষাঘাতের মতো। তার শৈল্পিক লেখনী ও সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে দ্রোহের প্রকাশ ঘটেছে, তা সব কালকে অতিক্রম করে গেছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!