📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, তিনি কাতারে হামলা ও বোমা আক্রমণ চালিয়েছেন। গাজা যুদ্ধের সময় কাতারের ওপর হামলা করার পাশাপাশি, তিনি দাবি করেছেন যে কাতারও তার ওপর হামলা করেছে। কাতার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই হামলাকে নিন্দা জানিয়েছে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে তিনি কাতারে হামলা ও বোমা আক্রমণ চালিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমাও মেরেছি। গাজা যুদ্ধের সময় তাদের ওপর হামলা করেছি। আর তারা আমার ওপরও হামলা করেছে’। সাক্ষাৎকারটি ইসরায়েলের আই২৪ নিউজকে দেওয়া হয়েছিল এবং শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) তিনি নিজেই তা প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, তিনি কাতারে হামলা ও বোমা আক্রমণ চালিয়েছেন এবং গাজা যুদ্ধের সময় কাতারের ওপর হামলা করেছেন।
- 📌 নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমি করেছি, তারা প্রতিহত করেছে’ — অর্থাৎ কাতারও তার ওপর হামলা করেছে।
- 📌 ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের দোহায় ইসরায়েলি বাহিনী হামাসের পাঁচ শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। হামলায় কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মীও নিহত হন।
- 📌 কাতার এই হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ ও ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছে।
- 📌 ইরান, পাকিস্তান, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের নেতারা কাতারের সফর করে সমর্থন জানান।
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু কাতারকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ রাষ্ট্র বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে গাজা যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর জাতিগত নিধনকালে কাতার ইসরায়েলের নীতিনির্ধারণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। গাজা যুদ্ধের অবসানে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছিল কাতার, যা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এর ঐতিহ্য প্রতিফলিত করে।
২০১২ সাল থেকে কাতার সরকার নিজ দেশে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয় পরিচালনা করত। যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই কাতার এই পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের দোহায় ইসরায়েলি বাহিনী হামাসের পাঁচ শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। এই হামলায় কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মীও নিহত হন। গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসের ওই পাঁচ নেতা সে সময় একটি বৈঠকে বসেছিলেন। বৈঠক চলাকালেই ইসরায়েল তাদের ওপর হামলা চালায়।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি হামলাটিকে ‘কাপুরুষোচিত’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটি ‘সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’। ইরান, পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশও কাতারে ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছে। সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে হামলার পরপরই জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের নেতারা কাতার সফর করেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হামলাকে কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে আখ্যা দেন।
"আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমাও মেরেছি। গাজা যুদ্ধের সময় তাদের ওপর হামলা করেছি। আর তারা আমার ওপর হামলা করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাতার (দোহা), ইসরায়েল, গাজা, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, পাকিস্তান, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী), মাজেদ আল-আনসারি (কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র), আন্তোনিও গুতেরেস (জাতিসংঘ মহাসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!