📌 সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা মো: আলতাফ হোসেনকে (৫৮) হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী মোসা শিউলি পারভীন ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। নিহত কর্মকর্তা ঢাকার মালিবাগ কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন
সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কর্মকর্তা মো: আলতাফ হোসেনকে (৫৮) হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী মোসা শিউলি পারভীন রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। নিহত কর্মকর্তা ঢাকার মালিবাগ কার্যালয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তা মো: আলতাফ হোসেনকে (৫৮) হত্যা করা হয়, তার স্ত্রী ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন
- 📌 নিহত কর্মকর্তা সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের জুরাইন আলী শেখের ছেলে, ঢাকার মালিবাগ কার্যালয়ে এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন
- 📌 অটোগ্যারেজ মালিক আবুল কালামের সাথে প্রাইভেটকার মালিক জহুরুলের (৩২) তর্কে পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিবাদ করলে জহুরুলসহ তার সহযোগীরা তাকে হত্যা করে
- 📌 হত্যাকাণ্ডে জহুরুলসহ চারজন আসামি চিহ্নিত, তাদের মধ্যে একজন জহুরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্যদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 নিহত কর্মকর্তার ছেলে আরিফুর রহমান গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
নিহত পুলিশ কর্মকর্তা মো: আলতাফ হোসেন বড়দেশী মদিনা সিটি এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ঘটনাস্থলে জানা যায়, বড়দেশীর মদিনা সিটি এলাকায় আবুল কালামের অটোগ্যারেজের সামনে অজ্ঞাত পরিচয় এক অটোচালক সংযোগ সড়কে অটো রাখেন। এটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রাইভেটকার মালিক জহুরুলের (৩২) সাথে অটোগ্যারেজ মালিক আবুল কালামের তর্ক-বিতর্ক হয়। তর্কে জহুরুল গাড়ি থেকে নেমে আবুল কালামকে চড় মারেন। এ সময় এসআই আলতাফ হোসেন প্রতিবাদ করলে জহুরুলসহ তার সহযোগীরা তার ওপর চড়াও হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা জীবন বাঁচানোর জন্য তার ছেলে শরীফুলের মালিকানাধীন এড্রইট ফ্যাশনের দিকে যান। সেই সময় জহুরুল, মজিবর, কাশেম, আলমগীরসহ তার সহযোগীরা আলতাফের পেছনে দৌড়ে যায়। তারা দেশীয় অস্ত্র পাইপ, ধারালো চাকু, হাতুড়ি, বাঁশ ও কাঠের লাঠি নিয়ে এড্রইট ফ্যাশনের ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে জহুরুল তার হাতে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারতে থাকলে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।
বাঁচার জন্য আলতাফ হোসেন চিৎকার দিলে তার ছোট ছেলে আরিফুর রহমান এগিয়ে আসেন। পরে তাকেও মারধর করে জহুরুল ও তার সহযোগীরা কারখানার মালামাল ও নগদ টাকা লুটপাট করেন। স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তা আলতাফ ও তার ছেলেকে উদ্ধার করে শনিবার রাতে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পুলিশ কর্মকর্তা আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার ছেলে আরিফুর রহমান গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
"মামলার প্রধান আসামি প্রাইভেটকারের মালিক জহুরুলকে ভোরে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে আমরা চিহ্নিত করেছি। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলমান রয়েছে।"
— সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সাইফুল আলম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভারের আমিনবাজার, বড়দেশী মদিনা সিটি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো: আলতাফ হোসেন (৫৮), মোসা শিউলি পারভীন, জহুরুল (৩২), আবুল কালাম, আরিফুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন আসামি, ৩২ বছর বয়সী জহুরুল, ৫৮ বছর বয়সী নিহত কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!