📌 নেপালের বেত্রাবতী গ্রামে বন্যায় ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া ৪৫ মিনিটের উদ্ধার অভিযানে জীবিত উদ্ধার হয় চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠাকে। মৃত ভেবে পরিবার শোক পালন করছিল, কিন্তু তিনি বেঁচে ছিলেন। বন্যায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০-এর বেশি মৃত্যু ও ৫ হাজার নিখোঁজের রেকর্ড রয়েছে
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া এক নারীকে মৃত ভেবে পরিবার শোক পালন করছিল, কিন্তু জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বেত্রাবতী গ্রামের ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন পর উদ্ধার করা হয় চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠাকে। গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) উদ্ধারকারী দলের ৪৫ মিনিটের অনুসন্ধানে তিনি জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠা নামের নারীকে মৃত ভেবে পরিবার শোক পালন করছিল, কিন্তু তিনি বেঁচে ছিলেন।
- 📌 ১০ দিন পর বেত্রাবতী গ্রামের ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় তাকে।
- 📌 ৪৫ মিনিটের উদ্ধার অভিযানে পুলিশ কর্মকর্তা মহেন্দ্র দারনালের নেতৃত্বে উদ্ধারকারী দল তাকে জীবিত অবস্থায় বের করে আনে।
- 📌 বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে কাদা ও বালুতে আটকে ছিলেন তিনি।
- 📌 ৫ হাজার নিখোঁজ রয়েছেন বন্যায়, এর মধ্যে ১ হাজার ৩০০-এর বেশি মৃত্যু হয়েছে।
- 📌 গত শুক্রবার থেকে সুড়ঙ্গ থেকে তিনজন জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে একজন চীনা নাগরিকও রয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
নেপালের বেত্রাবতী গ্রামে বন্যায় ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠাকে মৃত ভেবে পরিবার শোক পালন করছিল। কিন্তু উদ্ধারকারী দলের অনুসন্ধানে তিনি জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হন। পুলিশ কর্মকর্তা মহেন্দ্র দারনাল জানান, বন্যার পানির তোড়ে শ্রেষ্ঠাদের চারতলা বাড়িটি ভেসে যায়। পরে বাড়িটির ধ্বংসাবশেষ দ্রুতগামী কাদামাটি ও বালুর মধ্যে আটকে ছিল। উদ্ধারকারীরা আশপাশে ঘোরাঘুরি করার সময় ভেতর থেকে ‘বাঁচাও’ শব্দ শুনতে পান। এরপর তারা অনুসন্ধান চালিয়ে শ্রেষ্ঠাকে খুঁজে বের করেন।
বেত্রাবতী বন্যায় সবচেয়ে ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি। শহরটির বাজার ও অধিকাংশ আবাসিক ভবন প্রবল স্রোতে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষের নিচে প্রায় পুরোপুরি চাপা পড়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের স্তর কোথাও কোথাও শক্ত হয়ে প্রায় কংক্রিটের মতো হয়ে গেছে। উদ্ধারকর্মীরা হেলমেট পরে শাবল দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ ধসে পড়া ভবনের ফাঁকফোকর দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে প্রবেশ করছেন। আটকে থাকা কেউ জীবিত আছেন কি না, তা বোঝার জন্য তাঁরা মাঝেমধ্যে বাঁশি বাজিয়েও সংকেত দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা দারনাল জানান, শ্রেষ্ঠাকে উদ্ধারের পাঁচ দিন আগে বেত্রাবতীর বাজার এলাকায় একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। মরদেহগুলো পচন ধরে বিকৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বন্যার স্রোতে ভেসে যাওয়া শত শত মরদেহ বিধ্বস্ত রাসুয়া জেলা থেকে অনেক দূরের নদীর তীরে গিয়ে পড়েছে। নেপালের ভয়াবহ এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৫ হাজার মানুষ।
"বন্যার পানির তোড়ে শ্রেষ্ঠাদের চারতলা বাড়িটি ভেসে যায়। পরে বাড়িটির ধ্বংসাবশেষ দ্রুতগামী কাদামাটি ও বালুর মধ্যে আটকে ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেত্রাবতী গ্রাম, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠা, পুলিশ কর্মকর্তা মহেন্দ্র দারনাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দিন (উদ্ধার পর্যন্ত সময়), ৪৫ মিনিট (উদ্ধার অভিযানের সময়), ২৪টি মরদেহ (পাঁচ দিন আগে উদ্ধার), ১ হাজার ৩০০+ মৃত্যু, ৫ হাজার নিখোঁজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!