📌 যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকায় সামরিক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করছে। 'আমেরিকাস কাউন্টার-কার্টেল কোয়ালিশন' (ACCC) এর আওতায় ১৭টি দেশের সাথে যৌথ অভিযান চলছে, যা ড্রাগ ট্র্যাফিকিং থেকে শুরু করে চীন বিরোধী নীতি পর্যন্ত প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই পদক্ষেপগুলো অঞ্চলটিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকায় সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে এবং অঞ্চলটিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে প্রতিষ্ঠিত 'আমেরিকাস কাউন্টার-কার্টেল কোয়ালিশন' (ACCC) এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ড্রাগ ট্র্যাফিকিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই সামরিক দখলের ফলে অঞ্চলটিতে গণতন্ত্রের অবনতি এবং সহিংসতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী লাতিন আমেরিকায় ১৭টি দেশের সাথে যৌথ অভিযান চালাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, কোস্টা রিকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র এবং কলম্বিয়া সহ বেশ কয়েকটি দেশ।
- 📌 ACCC-এর উদ্দেশ্য ড্রাগ ট্র্যাফিকিং নিরসন ছাড়াও "পশ্চিমা গোলকধাঁধার বাইরে মন্দ প্রভাব" (চীনকে লক্ষ্য করে) দমন করা।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ড (SOUTHCOM) নতুন 'ওয়েস্টার্ন হেমিসফিয়ার জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স' গঠন করেছে, যা ১৮টি দেশের সামরিক কার্যক্রমের সমন্বয় করবে।
- 📌 'সাউদার্ন স্পিয়ার' অভিযানে ২২০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে, কিন্তু কোনো তদন্ত হয়নি যে সবাই ড্রাগ ট্র্যাফিকিংয়ে জড়িত ছিল কিনা।
- 📌 কলম্বিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতি আবেলার্দো ডি লা এস্প্রিয়েলা যুক্তরাষ্ট্রকে দেশে সামরিক অভিযান চালানোর অনুমতি দিয়েছেন।
- 📌 ভেনেজুয়েলা ACCC-এর আনুষ্ঠানিক সদস্য নয়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানগুলিতে তাদের অঞ্চল ব্যবহার করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। 'আমেরিকাস কাউন্টার-কার্টেল কোয়ালিশন' (ACCC) এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ড্রাগ ট্র্যাফিকিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই পদক্ষেপগুলো অঞ্চলটিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। ACCC-এর উদ্দেশ্য ড্রাগ ট্র্যাফিকিং নিরসন ছাড়াও "পশ্চিমা গোলকধাঁধার বাইরে মন্দ প্রভাব" দমন করা, যা বিশেষ করে চীনকে লক্ষ্য করে।
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ড (SOUTHCOM) ৪ আগস্ট ঘোষণা করেছে, 'ওয়েস্টার্ন হেমিসফিয়ার জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স' গঠন করা হয়েছে। এই নতুন টাস্ক ফোর্স ১৮টি দেশের সামরিক কার্যক্রমের সমন্বয় করবে এবং অঞ্চলটিতে হুমকি দমন, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সংকটের সময় তৎপরতা নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবে।
২০২৬ সালের জুনে, ডোনাল্ড ট্রাম্প 'ট্রুথ সোশ্যাল'ে ঘোষণা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথভাবে ভোলিভার রাজ্যে ড্রাগ কার্টেলের নেতা হেক্টর গুয়েরেরো ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার পরে এই যৌথ অভিযানের কথা স্বীকার করেছে।
আগস্টের শেষের দিকে এবং সেপ্টেম্বরের শুরুতে, নতুন গঠিত 'ওয়েস্টার্ন হেমিসফিয়ার জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স' বেশ কয়েকটি ড্রাগ ট্র্যাফিকিংয়ের সন্দেহভাজন জাহাজে আক্রমণ চালায়। এই অভিযানে কমপক্ষে দুইজন নিহত হয়। এই অভিযান 'সাউদার্ন স্পিয়ার' অভিযানের অংশ ছিল, যা এখন পর্যন্ত ২২০ জনেরও বেশি নিহত করেছে। তবে কোনো তদন্ত হয়নি যে সবাই ড্রাগ ট্র্যাফিকিংয়ে জড়িত ছিল কিনা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ ঘোষণা করেছেন যে, কলম্বিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতি আবেলার্দো ডি লা এস্প্রিয়েলা যুক্তরাষ্ট্রকে দেশে সামরিক অভিযান চালানোর অনুমতি দিয়েছেন। এই অভিযানগুলোর লক্ষ্য 'নারকো-টেররিজম' দমন করা।
"সামরিক কার্যক্রমের সমন্বয় করে হুমকি দমন, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সংকটের সময় তৎপরতা নেওয়া"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লাতিন আমেরিকা (আর্জেন্টিনা, কোস্টা রিকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা সহ ১৭টি দেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিট হেগসেথ, আবেলার্দো ডি লা এস্প্রিয়েলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭টি আনুষ্ঠানিক সদস্য, ১৮টি দেশের সামরিক সমন্বয়, ২২০ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!