📌 ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী লেবাননের আলি আল-তাহের পাহাড়ে হিজবুল্লাহর গোপন ক্যাম্প ও অস্ত্র সংরক্ষণাগার ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ জানিয়েছেন, তারা এ অঞ্চলে হিজবুল্লাহর পুনরায় উপস্থিতি রোধের জন্য সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের আলি আল-তাহের পাহাড়ে হিজবুল্লাহর গোপন অবকাঠামো ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অভিযানটি ইসরায়েলের ‘বিচ্ছিন্নতা অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তারা আরও জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এখনও এলাকায় অবস্থান করবে হিজবুল্লাহকে পুনরায় উপস্থিত হওয়া থেকে রোধ করতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **লেবাননের আলি আল-তাহের পাহাড়ে** ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে হিজবুল্লাহর **২ কিলোমিটার দীর্ঘ গোপন অবকাঠামো ধ্বংস** হয়েছে, যেখানে **রকেট, মিসাইল, ড্রোন, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল, মাইন ও বিস্ফোরক** সংরক্ষিত ছিল।
- 📌 **হিজবুল্লাহর ‘বাদর ইউনিটের’** একটি **কমান্ড সেন্টার** ধ্বংস হয়েছে, যেখানে **কমান্ড সেন্টার, অস্ত্র সংরক্ষণাগার ও লড়াকুদের বাসস্থান** ছিল।
- 📌 **লেবাননের নাবাতিয়েহ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়** বিস্ফোরণের শক ও শব্দ **প্রতিবেশী অঞ্চলে অনুভূত** হয়েছে বলে লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।
- 📌 **ইরান** আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিল যে, যদি ইসরায়েলের এই অঞ্চলে আক্রমণ অব্যাহত থাকে, তাহলে তারা **শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া** নেবে।
- 📌 **জুন মাসে স্বাক্ষরিত হামাস-ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি চুক্তি** অনুসারে, ইসরায়েলের সেনা **লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে প্রত্যাহার** করতে হবে, কিন্তু **হিজবুল্লাহ অস্ত্র ত্যাগ না করায়** এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে পড়েছে।
📰 বিস্তারিত
আলি আল-তাহের পাহাড়, যা ইসরায়েল-লেবানন সীমান্ত থেকে প্রায় **১৫ কিলোমিটার দূরে** অবস্থিত, বর্তমানে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের **সর্বাধিক সংঘর্ষপ্রবণ এলাকা** হয়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ শুক্রবার জানিয়েছিলেন, ইসরায়েলের সেনারা এই অঞ্চলের **গোপন টানেল নেটওয়ার্ক** থেকে হিজবুল্লাহর লড়াকুদের বিতাড়িত করেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, **জুলাই মাসে হিজবুল্লাহ এই অঞ্চলে একটি গোপন কমান্ড সেন্টার ও অস্ত্র সংরক্ষণাগার নির্মাণ** করেছিল বলে মনে করা হয়।
লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী আলি আল-তাহের পাহাড়ে **শক্তিশালী বিস্ফোরণ** চালিয়েছে, যার শক ও শব্দ **নাবাতিয়েহ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়** অনুভূত হয়েছিল। হিজবুল্লাহ এখনও ইসরায়েলের এই আক্রমণে **কোনো প্রতিক্রিয়া** দিতে পারেনি। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা **পাহাড়ের উপরে ও নিচে ‘অপারেশনাল কন্ট্রোল’** প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তারপরই অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই **২ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল নেটওয়ার্কে** ছিল **রকেট, মিসাইল, ড্রোন, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল, মাইন ও বিস্ফোরক**। এছাড়াও, হিজবুল্লাহর ‘বাদর ইউনিটের’ একটি **কমান্ড কমপ্লেক্স** ছিল, যেখানে **কমান্ড সেন্টার, অস্ত্র সংরক্ষণাগার ও লড়াকুদের বাসস্থান** ছিল। এই অবকাঠামোতে লড়াকুদের **দীর্ঘ সময় ধরে গোপনে অবস্থান** করার সুযোগ ছিল।
ইরান আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিল যে, যদি ইসরায়েলের এই অঞ্চলে আক্রমণ অব্যাহত থাকে, তাহলে তারা **শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া** নেবে। গত কয়েক সপ্তাহে, ইসরায়েলের আক্রমণ ও মাটি অভিযান আলি আল-তাহের পাহাড়ের চারপাশে অব্যাহত ছিল, এমনকি **জুন মাসে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির** পরও। এই চুক্তি অনুসারে, ইসরায়েলের সেনা **লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে প্রত্যাহার** করতে হবে এবং লেবাননের সেনারা হিজবুল্লাহর অস্ত্র বিতাড়িত করবে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে পড়েছে, কারণ **হিজবুল্লাহ অস্ত্র ত্যাগ করতে রাজি নয়** এবং ইসরায়েল বলেছে, তারা **হিজবুল্লাহ অস্ত্রহীন না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাহার করবে না**।
২০২৩ সাল থেকে, ইসরায়েল **লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবেশ** করেছে এবং **বহু গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান** দখল করেছে। তারা এখন এই অঞ্চলটিকে **ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর অবস্থানের মধ্যে একটি ‘বাফার জোন’** হিসেবে ব্যবহার করছে।
"আমরা এ অঞ্চলে 'অপারেশনাল কন্ট্রোল' প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তারপরই অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আলি আল-তাহের পাহাড়, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল (১৫ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েল সীমান্ত থেকে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কিলোমিটার (টানেলের দৈর্ঘ্য), ১৫ কিলোমিটার (পাহাড় থেকে সীমান্তের দূরত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!