📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যমজ বোনের মৃত্যুদণ্ড ও দীর্ঘ কারাদণ্ড: পরিবারের করুণ অভিযোগ

ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যমজ বোনের মৃত্যুদণ্ড ও দীর্ঘ কারাদণ্ড: পরিবারের করুণ অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ১৯ বছর বয়সী যমজ দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যজনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরিবার দাবি করে, নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয় এবং শাস্তির পিছনে ভিন্নমত দমনের কৌশল রয়েছে

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ১৯ বছর বয়সী যমজ দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যজনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই শাস্তির পিছনে পরিবার করুণ অভিযোগ তুলেছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত জানুয়ারিতে ইরানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন এই দুই বোন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **তারানেহ রহিমিকে** মৃত্যুদণ্ড এবং **রোমিনা রহিমিকে** ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 **মুখোশধারী আইআরজিসি সদস্যরা** গভীর রাতে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়
  • 📌 **মারধর ও নির্যাতনের** কারণে তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল
  • 📌 **মা মারজিয়েহ নুরমোহাম্মাদি** তাদের সাথে দেখা করতে গিয়ে ভয়াবহ দৃশ্য দেখেন
  • 📌 **ইরানে ৫০০-এর বেশি মৃত্যুদণ্ড** কার্যকর হয়েছে, এর মধ্যে ২৯ জন বিক্ষোভকারীর
  • 📌 **৩১টি দেশের যৌথ বিবৃতি**তে মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানানো হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত জানুয়ারিতে ইরানের বিভিন্ন শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া যমজ দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যজনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই শাস্তির পিছনে পরিবার করুণ অভিযোগ তুলেছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার প্রায় এক মাস পর গভীর রাতে মুখোশধারী কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে ঢুকে তুলে নিয়ে যায়। পরে জানা যায়, মুখোশধারী ওই ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সদস্য ছিলেন।

মেয়েদের মা মারজিয়েহ নুরমোহাম্মাদি প্রায় চার মাস ধরে হাসপাতাল ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে তাদের খোঁজ করলেও কোনো সন্ধান পাননি। পরে জানা যায়, তাঁদের কারাগারে রাখা হয়েছে। গত মে মাসে ইসফাহানের দৌলতাবাদ কারাগারে মেয়েদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মারজিয়েহ ভয়াবহ দৃশ্য দেখেন। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী তাঁদের চাচাতো ভাই মাসউদ নুরমোহাম্মাদির দাবি, মারধরের কারণে দুই বোনের মুখ ফুলে গিয়েছিল এবং শরীরজুড়ে ছিল আঘাতের চিহ্ন। তাদের কনুই, আঙুলের গাঁট ও পায়েও গুরুতর আঘাত ছিল বলে পরিবারের দাবি করা হয়েছে।

তারানেহ আদালতে অভিযোগ করেন, নির্যাতনের মাধ্যমে তাঁর কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। এমনকি স্বীকারোক্তিতে সই না করলে তাঁর চোখের সামনে রোমিনাকে কারারক্ষীরা ধর্ষণ করবে—এমন হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন। বিক্ষোভে সহিংসতায় জড়িত থাকার কোনো প্রমাণও পরিবার বা আইনজীবীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। দুই বোনের শাস্তির ব্যবধানের কারণও স্পষ্ট নয়।

ইরানে সাম্প্রতিক মৃত্যুদণ্ডের অনেক মামলায় আপিলের সুযোগ গ্রহণের আগেই সাজা কার্যকর করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, চলতি বছরে ইরানে ৫০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারির সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ২৯ জন রয়েছেন। অন্তত ১৬ জন নারীও মৃত্যুদণ্ডের শিকার হয়েছেন। ইসফাহানেই ৭০-এর বেশি বিক্ষোভকারী মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি বলে জানা গেছে।

"মেয়েদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা শুধু তাদের শাস্তি নয়; বরং ইরানের সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোরও একটি কৌশল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরান (ইসফাহান, দৌলতাবাদ কারাগার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারানেহ রহিমি, রোমিনা রহিমি, মারজিয়েহ নুরমোহাম্মাদি, মাসউদ নুরমোহাম্মাদি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর (বয়স), ২৫ বছর (কারাদণ্ড), ৫০০ জন (মৃত্যুদণ্ড কার্যকর), ২৯ জন (বিক্ষোভকারী), ৩১টি (দেশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖