📌 ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইরান ও তার মিত্ররা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একযোগে সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করছে। এই হামলার ছক ৭ অক্টোবরের মতোই, তবে এবার লেবাননের হিজবুল্লাহ, হামাস, হুথি ও ইরাকের মিলিশিয়াদেরও একসাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একযোগে ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা করছে ইরান ও তার মিত্ররা। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সর্বশেষ মূল্যায়নে এ তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই হামলার ছক ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের মতোই, তবে এবার ইরানের নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক অক্ষের সব শক্তিকে একসাথে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান ও তার মিত্ররা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একযোগে সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করছে, যা ৭ অক্টোবরের মতোই হবে, তবে এবার সমন্বয়হীনতা এড়িয়ে সব দিক থেকে একই সময়ে আঘাত হানার চেষ্টা করা হচ্ছে
- 📌 এই হামলায় ইরানের নিজস্ব বাহিনীর পাশাপাশি লেবাননের হিজবুল্লাহ, হামাস, ইয়েমেনের হুথি ও ইরাকের ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে
- 📌 ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলায় অন্যান্য ফ্রন্টগুলো একযোগে বা পূর্ণ সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে লড়াইয়ে যুক্ত হতে পারেনি, কিন্তু এবার সেই ঘাটতি দূর করার চেষ্টা করছে ইরান
- 📌 ইসরায়েলি গোয়েন্দা মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগের মূল্যায়নে ইরান ও হিজবুল্লাহকে ৭ অক্টোবরের হামলার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা তারিখ সম্পর্কে আগে থেকে অবগত করা হয়নি
- 📌 ইরানপন্থী দলগুলোকে সংযুক্ত ও প্রস্তুত রাখার লক্ষ্যে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের আগের পরিকল্পনা ছিল, তবে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তা পুরোপুরি সমন্বিত রূপ পায়নি
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একযোগে ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ইরান ও তার মিত্রদের গোয়েন্দা মূল্যায়ন প্রকাশ পেয়েছে। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই হামলার ছক ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের মতোই, তবে এবার ইরানের নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক অক্ষের সব শক্তিকে একসাথে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। গোয়েন্দা মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, একই অভিযানে তেহরান তার নিজস্ব বাহিনীর পাশাপাশি লেবাননের হিজবুল্লাহ, হামাস, ইয়েমেনের হুথি এবং ইরাকের ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের যুক্ত করার চেষ্টা করছে। উদ্দেশ্য হলো ৭ অক্টোবরের মতো সমন্বয়হীনতা এড়িয়ে সব দিক থেকে একই সময়ে আঘাত হানা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় অন্যান্য ফ্রন্টগুলো একযোগে বা পূর্ণ সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে লড়াইয়ে যুক্ত হতে পারেনি। তবে ইরান এই ঘাটতি দূর করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করছে ইসরায়েলি পক্ষ। ইসরায়েলি গোয়েন্দা মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রকাশিত মূল্যায়ন অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের আক্রমণের বিস্তারিত পরিকল্পনা কিংবা হামলার সুনির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে ইরান ও হিজবুল্লাহকে আগে থেকে অবগত করা হয়নি।
গোয়েন্দা মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, ইয়াহিয়া সিনওয়ারের আগের পরিকল্পনা ছিল লেবানন, সিরিয়া এবং সিনাইয়ের মতো ‘বহিঃস্থ ফ্রন্টগুলোকে সংযুক্ত ও প্রস্তুত’ রাখা। একই সঙ্গে স্বাভাবিক ও যুদ্ধকালীন উভয় পরিস্থিতির জন্য আগে থেকেই একটি কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। তবে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায় যে, হামাসের সেই লক্ষ্য হামলার আগে পুরোপুরি সমন্বিত রূপ পায়নি।
"৭ অক্টোবরের মতোই একযোগে আঘাত হানার পরিকল্পনা করছে ইরান ও তার মিত্ররা, তবে এবার সমন্বয়হীনতা এড়িয়ে সব দিক থেকে একই সময়ে আঘাত হানার চেষ্টা করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, লেবানন, ইরান, ইয়েমেন, ইরাক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের নেতা, ইয়াহিয়া সিনওয়ার, ইসরায়েলি গোয়েন্দা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!