📌 ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে সুকর্ণ-হাত্তাসহ পাঁচটি বিমানবন্দরে ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। ছাইয়ের কারণে ২২ হাজার মানুষের ভোগান্তি হয়েছে এবং স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে দেশটির পাঁচটি বিমানবন্দরে ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। আগ্নেয়গিরির ছাই জাকার্তার আকাশসীমায় ছড়িয়ে পড়ায় রোববার সকালে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করা হয়। এতে ২২ হাজার মানুষের ভোগান্তি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সুকর্ণ-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ পাঁচটি বিমানবন্দরে এই স্থগিতের প্রভাব পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত, এর মধ্যে ৫৮টি আন্তর্জাতিক
- 📌 সিঙ্গাপুরগামী ও সিঙ্গাপুর থেকে আসা ফ্লাইট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
- 📌 ২২ হাজার মানুষের ভোগান্তি হয়েছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছেন
- 📌 আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের কারণে স্কুল বন্ধ এবং মাছ ধরার যাত্রা বাতিল
- 📌 ২০১৮ সালে আগ্নেয়গিরির ধসের কারণে ৪০০ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছিল
- 📌 আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের উচ্চতা ছিল প্রায় ৭০ থেকে ৯০ মিটার
📰 বিস্তারিত
আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয় শুক্রবার গভীর রাতে। এরপর সেখানে ভূকম্পন, লাভার ফোয়ারা এবং বিকট শব্দ শোনা যায়। আজ ভোরেও আগ্নেয়গিরিটি থেকে আরও দুটি অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় এই অঞ্চলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি।
সুকর্ণ-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ পাঁচটি বিমানবন্দরে ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট রয়েছে। সিঙ্গাপুরগামী ও সিঙ্গাপুর থেকে আসা ফ্লাইট সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে। দোহা, সিডনি, কুয়ালালামপুরসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটও এই স্থগিতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেছেন, আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে। বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। শ্বাসতন্ত্র, চোখ ও ত্বকের সুরক্ষায় মুখে মাস্ক ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদপত্র কমপাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাইয়ের কারণে চোখে জ্বালাপোড়ার অভিযোগ ওঠার পর গতকাল শনিবার কয়েকটি স্কুল তাদের কার্যক্রম বাতিল করেছে।
আনাক ক্রাকাতোয়া নামটির অর্থ ‘ক্রাকাতোয়ার সন্তান’। গত শতকের শুরুর দিকে সমুদ্র থেকে জেগে ওঠার পর আগ্নেয়গিরিটি মাঝেমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠছে। ১৮৮৩ সালের মাউন্ট ক্রাকাতোয়ার অগ্ন্যুৎপাতের পর তৈরি হওয়া আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে এটি গড়ে উঠেছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরিটি ধসে পড়ে। এতে সৃষ্ট বিশাল সুনামিতে ৪০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়। বিজ্ঞানীরা পরে দেখতে পান, আগ্নেয়গিরিটি ধসে পড়ার সময় সেখান থেকে সরে যাওয়া কিছু পাথরের খণ্ডের উচ্চতা ছিল প্রায় ৭০ থেকে ৯০ মিটার।
"আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে। বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছি। শ্বাসতন্ত্র, চোখ ও ত্বকের সুরক্ষায় মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইন্দোনেশিয়া (সুকর্ণ-হাত্তা বিমানবন্দরসহ পাঁচটি বিমানবন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্থানীয় বাসিন্দা আলদি চান্দ্রা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত, ৫৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, ২২ হাজার মানুষের ভোগান্তি, ৪০০ জনের বেশি মৃত্যু (২০১৮), ৭০-৯০ মিটার পাথরের খণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!