📌 মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা প্রশমনের লক্ষ্যে ভারতের মধ্যস্থতায় ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দু’দেশের নেতৃবৃন্দ যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে সর্বোচ্চ সংযমের আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানের পাল্টা আক্রমণ ও মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর এই বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় পরিস্থিতি প্রশমনের লক্ষ্যে ভারতের মধ্যস্থতায় ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভারত ব্রিকসের সভাপতি হিসেবে নিজ ভূমিকা ব্যবহার করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের মধ্যস্থতায় ইরান ও আমিরাতের শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 বৈঠকে অংশ নেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা ও এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণের পর এই বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর ইরান কুয়েত ও আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়
- 📌 বৈঠকে ব্রিকস সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সংযমের আহ্বান জানানো হয়
- 📌 ভারত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি ইরান ও আমিরাতের সঙ্গেও সমান্তরাল সম্পর্ক রক্ষা করছে
📰 বিস্তারিত
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা প্রশমনের লক্ষ্যে ভারতের মধ্যস্থতায় ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের ইরানি দূতাবাস বৈঠকের একটি ছবি প্রকাশ করে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ও আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের মধ্যে বৈঠকের বিষয় নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তার পরেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে গত এপ্রিলে ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তা এবং মার্কিন ও আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে আমিরাত সরাসরি অংশ নেয়নি।
বৈঠকে ইরান ও আমিরাত ব্রিকসের অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুর মিলিয়ে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে। ঘোষণাপত্রে মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারত একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি তেহরান ও আবুধাবির সঙ্গেও সমান্তরাল সম্পর্ক রক্ষা করছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইরানের সেনা কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা কুয়েতের আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি এবং আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজ সকালে সেনাবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কুয়েতের আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর উপগ্রহ যোগাযোগব্যবস্থা, সরঞ্জাম ডিপো এবং যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
"আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত শিশু হত্যাকারী মার্কিন বাহিনীর সেনা অবস্থান এবং রাডার ব্যবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি (ভারত), কুয়েতের আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি, আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ সেপ্টেম্বর (বৈঠকের তারিখ), ১০ সেপ্টেম্বর (ইরানের পাল্টা আক্রমণের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!