📌 বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার কাজী ফরিদ আহমদকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি ফোনে প্রাণহানির হুমকি দিয়েছে। আরএফইডি তীব্র নিন্দা জানিয়ে হুমকিদাতাকে শনাক্ত ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে এবং সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান করেছে
বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার কাজী ফরিদ আহমদকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি কর্তৃক মোবাইল ফোনে মারাত্মক প্রাণহানির হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) হুমকিদাতাকে অবিলম্বে চিহ্নিত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আরএফইডির দফতর থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ সেপ্টেম্বর রাত ১১:১৯ মিনিটে কাজী ফরিদ আহমদকে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোনে প্রাণহানির হুমকি দেওয়া হয়।
- 📌 হুমকিদাতা তাকে অফিসে যেতে নিষেধ করে এবং নির্দেশ না মানলে মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে বলেছে।
- 📌 কাজী ফরিদ আহমদ ও তার পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন এবং বনানী থানায় জিডি করেছেন।
- 📌 আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ দৌলা বলেছেন, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের এই প্রচেষ্টা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের ওপর কুঠারাঘাত।
- 📌 সংগঠনটি হুমকিদাতাকে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার আরএফইডির দফতর সম্পাদক নাজনীন লাকির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কাজী ফরিদ আহমদ পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বা কর্মস্থলে উপস্থিত হলে বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা আত্মরক্ষার জন্য বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
গত ৮ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১১টা ১৯ মিনিটে কাজী ফরিদ আহমদ নরসিংদীর পলাশ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সেই সময় তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল আসে। ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে পরিচয় গোপন রেখে তাকে সরাসরি অফিসে যেতে নিষেধ করা হয় এবং নির্দেশ না মানলে মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দিয়ে লাইন কেটে দেওয়া হয়।
আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ দৌলা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, “একটি নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করা পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষ নেতাকে এভাবে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া অত্যন্ত অশনিসংকেত। ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হেনস্তার মাধ্যমে কখনো সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশের কণ্ঠরোধ করা সম্ভব নয়। এ ধরনের অপতৎপরতা আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার ওপর সরাসরি কুঠারাঘাত।”
নেতারা অবিলম্বে উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় হুমকিদাতাকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে কাজী ফরিদ আহমদ ও তাঁর পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।
"ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হেনস্তার মাধ্যমে কখনো সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশের কণ্ঠরোধ করা সম্ভব নয়। এ ধরনের অপতৎপরতা আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার ওপর সরাসরি কুঠারাঘাত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরসিংদীর পলাশ এলাকা, বনানী থানা (ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী ফরিদ আহমদ, কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল, ইকরাম-উদ দৌলা, নাজনীন লাকি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ সেপ্টেম্বর, ১১:১৯ মিনিট, ১৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!