📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নীলফামারীতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে ৭ ঘর পুড়ে ছাই: ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ ফায়ার সার্ভিসের উদাসীনতা

নীলফামারীতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে ৭ ঘর পুড়ে ছাই: ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ ফায়ার সার্ভিসের উদাসীনতা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নীলফামারী সদর ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে আগুনে ৭ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা ফায়ার সার্ভিসের দেরি ও উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন। প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

নীলফামারী সদর ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে আগুনে ৭ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিসের দেরি ও উদাসীনতার কারণে ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে গেছে। মালামালের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাঝাপাড়া এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে ৭ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে
  • 📌 আগুনে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
  • 📌 ফায়ার সার্ভিসের মেশিন চালু করতে ৩০ মিনিট লেগেছে
  • 📌 বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগে ৪৫ মিনিট বিলম্ব হয়েছে
  • 📌 ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছে রাবেল আহমেদ, লামিশা, লিটন, রুবেল ও জুয়েল

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় মাঝাপাড়া এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটিতে শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লেগে যায়। মাগরিবের আজানের পরেই ঘটনাটি ঘটে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং একে একে ৭টি বসতঘর জ্বলে উঠে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছে কামরুল হুদার ছেলে রাবেল আহমেদ, মো. রুবেল, নুরল হুদার ছেলে লিটন ও লিজু, এবং সামছুল হুদার ছেলে জুয়েল।

ক্ষতিগ্রস্ত রুনা বেগম বলেছেন, ‘ফায়ার সার্ভিস যখন আসে তখন একটি ঘরে আগুন জ্বলছিল। কিন্তু তাদের মেশিন স্টার্ট দিতে দেরি হওয়ায় নিমিষেই বাকি সব ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাদের বিলম্বের কারণেই আমাদের সব পুড়ে ছাই হলো।’

রাবেল আহমেদ জানিয়েছেন, ‘আগুনে পুড়ে ঘরের সোনা গহনা, জিনিসপত্র মিলে প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেলাম। ফায়ার সার্ভিস দেরি না করলে হয়তো আমাদের এতো ক্ষয়ক্ষতি হতো না।’ শিশু লামিশা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেছেন, ‘আমার সাইকেল টা পুড়ে গেছে। অনেকগুলো জামা কাপড়ও পুড়ে গেছে।’

স্থানীয় সাজেদুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের আগেও ডোমারের এক জায়গায় আগুন নেভাতে গিয়ে তাদের মেশিনের সমস্যা হয়েছিল। ততক্ষণে ওই অগ্নিকাণ্ডে সব শেষ হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের এমন উদাসীনতার কারণে মানুষ নিঃস্ব হচ্ছে।’

ডোমার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মুক্তি মাহমুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে, কিন্তু সেটাও সামান্য সময়ের।’

"ফায়ার সার্ভিস যখন আসে তখন একটি ঘরে আগুন জ্বলছিল। কিন্তু তাদের মেশিন স্টার্ট দিতে দেরি হওয়ায় নিমিষেই বাকি সব ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাদের বিলম্বের কারণেই আমাদের সব পুড়ে ছাই হলো।"
"আগুনে পুড়ে ঘরের সোনা গহনা, জিনিসপত্র মিলে প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাঝাপাড়া, সদর ইউনিয়ন, নীলফামারী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাবেল আহমেদ, রুনা বেগম, লামিশা, সাজেদুল ইসলাম, মুক্তি মাহমুদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ ঘর পুড়ে ছাই, ১৫ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি, ১ ঘণ্টা বিলম্ব, ৩০ মিনিট মেশিন চালু করতে, ২০ লাখ টাকা ক্ষতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖