📌 ইয়েমেনের সরকারি স্বীকৃত সরকার ইরানের গার্ডস কোরস (IRGC) ও হিজবুল্লাহর ২১ জন বিশেষজ্ঞকে হুথীদের যুদ্ধ পরিকল্পনা ও পরিচালনায় জড়িত করে অভিযোগ করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা বালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন সামরিক কার্যক্রমে হুথীদের সহায়তা করছে
ইয়েমেনের সরকারি স্বীকৃত সরকার ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডস কোরস (IRGC) ও লেবাননের হিজবুল্লাহর ২১ জন বিশেষজ্ঞকে হুথীদের যুদ্ধ পরিকল্পনা ও পরিচালনায় সরাসরি জড়িত করে অভিযোগ করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ১৪ জন IRGC-এর এবং ৭ জন হিজবুল্লাহর সদস্য। অভিযোগটি ইয়েমেনের অভ্যন্তর মন্ত্রণালয়ের প্রধান মেজর জেনারেল ইব্রাহিম হায়দানের একটি বিবৃতিতে উঠে এসেছে, যা শুক্রবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়েমেনের সরকারি স্বীকৃত সরকার অভিযোগ করেছে, ইরানের IRGC ও হিজবুল্লাহর ২১ জন বিশেষজ্ঞ হুথীদের যুদ্ধ পরিকল্পনা ও পরিচালনায় সরাসরি জড়িত।
- 📌 এই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ১৪ জন IRGC-এর এবং ৭ জন হিজবুল্লাহর সদস্য। তাদের বিশেষজ্ঞতা রয়েছে বালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, সামরিক উপকরণের চোরাচালান, নৌযুদ্ধ পরিচালনা, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করা, বিস্ফোরক-সজ্জিত নৌকা ও স্বায়ত্তশাসিত পান্ডুলিপি তৈরি এবং মাইন লাগানোর প্রশিক্ষণে।
- 📌 বিশেষজ্ঞদের অবস্থান: হুদাইদাহ (৮ জন), সানা (৪ জন), সাদা (৪ জন), হাজ্জাহ (২ জন), আমরান (২ জন) ও খোকা (১ জন)।
- 📌 হায়দান বলেছেন, এই কার্যক্রম ‘বাব আল-মন্দেব প্রণালী ও লাল সাগরে নৌপরিবহনকে হুমকির সম্মুখীন করছে’ এবং সামরিক জ্ঞানের হস্তান্তর অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীতে হতে পারে।
- 📌 ইয়েমেন সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হুথীদের ‘তerrorist’ সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার, তাদের অর্থ ও অস্ত্রের নেটওয়ার্ক ভাঙার এবং সংযুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের ২২১৬ ও ২৬২৪ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী অস্ত্রের নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছে।
- 📌 হুথিরা সেপ্টেম্বর মাসে পশ্চিম লাল সাগর উপকূল ও বাব আল-মন্দেব এলাকাটি দখল করার পর থেকে সরকারি বাহিনী ও হুথিরা পাঁচটি প্রদেশে যুদ্ধ করছে।
📰 বিস্তারিত
মেজর জেনারেল ইব্রাহিম হায়দানের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা ইরান ও হিজবুল্লাহর সহায়তা ইয়েমেনের যুদ্ধে এখন থেকে অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহ থেকে “সরাসরি তত্ত্বাবধান ও পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং সামরিক ক্ষমতা নির্মাণে অংশগ্রহণ” পর্যন্ত এগিয়ে গেছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে রয়েছে বালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন বিশেষজ্ঞ, ইলেকট্রনিক যুদ্ধের বিশেষজ্ঞ, সামরিক উপকরণের চোরাচালান পরিচালনা, নৌযুদ্ধ পরিচালনা, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করা, বিস্ফোরক-সজ্জিত নৌকা ও স্বায়ত্তশাসিত পান্ডুলিপি তৈরি এবং মাইন লাগানোর প্রশিক্ষণ প্রদান।
হায়দান সতর্ক করেছেন, এই কার্যক্রম ‘বাব আল-মন্দেব প্রণালী ও লাল সাগরে নৌপরিবহনকে হুমকির সম্মুখীন করছে’ এবং সামরিক জ্ঞানের হস্তান্তর অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীতে হতে পারে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হুথীদের ‘তerrorist’ সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার, তাদের অর্থ ও অস্ত্রের নেটওয়ার্ক ভাঙার এবং সংযুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের ২২১৬ ও ২৬২৪ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী অস্ত্রের নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
"এই কার্যক্রম ‘বাব আল-মন্দেব প্রণালী ও লাল সাগরে নৌপরিবহনকে হুমকির সম্মুখীন করছে’ এবং সামরিক জ্ঞানের হস্তান্তর অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীতে হতে পারে।"
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানাকে দখল করার পর ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী ইয়েমেনের সরকারি স্বীকৃত সরকার পুনরুদ্ধারের জন্য যুদ্ধে প্রবেশ করে। ইয়েমেনের সরকার দীর্ঘকাল ধরে অভিযোগ করেছে যে, ইরানের IRGC হুথিদের সহায়তা করছে। তবে তেহরান দাবি করে, হুথিরা স্বাধীনভাবে কাজ করে। হুথিরা ইরানের সাথে তাদের সম্পর্ক স্বীকার করে, কিন্তু ইরানের প্রাক্তন সংগঠন হিসেবে নিজেদের চিহ্নিত করতে অস্বীকার করে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ ইয়েমেনের যুদ্ধে তাদের কোনো ভূমিকা অস্বীকার করেছে।
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল সুবিধাগুলো হুথিরা আক্রমণ করছে, যা ইরানের হস্তক্ষেপের অভিযোগকে আরও তীব্র করেছে। সৌদি আরব ইরানকে এই উত্তেজনার জন্য দায়ী করে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (হুদাইদাহ, সানা, সাদা, হাজ্জাহ, আমরান, খোকা)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল ইব্রাহিম হায়দান (ইয়েমেনের অভ্যন্তর মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ জন বিশেষজ্ঞ (১৪ জন IRGC, ৭ জন হিজবুল্লাহ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!