📌 ইথিওপিয়ার সেনাপতি সুদান ও মিশরকে অভিযোগ করেছেন বিদ্রোহী দল তিগ্রায় লিবারেশন ফ্রন্টের পেছনে। যুদ্ধে নতুন তরঙ্গে তিগ্রায়ের মেকেলে টেলিভিশন কেন্দ্রে ড্রোন হামলা, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে। সংযুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সচিব গুতেরেস ড্রোন ব্যবহার ও নাগরিকদের ক্ষতির বিষয়ে উদ্বিগ্ন
ইথিওপিয়ার সেনাপতি সুদান ও মিশরকে অভিযোগ করেছেন তাদের বিদ্রোহী দল তিগ্রায় লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ)কে সমর্থন দিচ্ছে। ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনীর কমান্ডার ফিল্ড মার্শাল বিরহানু জুলা বলেছেন, বিদ্রোহী দলগুলো আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থে সংগঠিত এবং তাদের পেছনে সুদান, মিশর ও অন্যান্য বিদেশি শক্তির সমর্থন রয়েছে। তিনি বলেছেন, “এই যুদ্ধবাহিনীগুলো আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থে সংগঠিত এবং তাদের পেছনে সুদান, মিশর ও অন্যান্য বিদেশি শক্তির সমর্থন রয়েছে। তারা কোনো লাভ অর্জন করতে পারবে না যতক্ষণ না তাদের পেছনে সুদান, মিশর ও অন্যান্য বিদেশি শক্তির সমর্থন থাকে।”
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইথিওপিয়ার সেনাপতি ফিল্ড মার্শাল বিরহানু জুলা সুদান ও মিশরকে অভিযোগ করেছেন তাদের তিগ্রায় বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে।
- 📌 সুদান সেনাবাহিনী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, “এই অভিযোগ ভিত্তিহীন”। তারা আরো দাবি করেছে, ইথিওপিয়ার অভ্যন্তরে তাদের বিরুদ্ধে র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ) প্রশিক্ষণ ও সরবরাহ পাচ্ছে।
- 📌 তিগ্রায়ের মেকেলে টেলিভিশন কেন্দ্রে ড্রোন হামলা, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে। সংযুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সচিব গুতেরেস ড্রোন ব্যবহার ও নাগরিকদের ক্ষতির বিষয়ে উদ্বিগ্ন।
- 📌 তিগ্রায় লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) তিগ্রায়ের দক্ষিণাঞ্চলীয় আলামাতা শহর দখল করেছে এবং মেকোনি ও মায়চু শহর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
- 📌 টিপিএলএফ আফার অঞ্চলে এরেবতি শহর দখল করেছে এবং ১০০ কিলোমিটার দূরে আফদেরা শহর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
- 📌 ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো একটি নতুন গठবন্ধন গঠন করেছে, যার লক্ষ্য সরকারের পতন।
📰 বিস্তারিত
ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনীর কমান্ডার ফিল্ড মার্শাল বিরহানু জুলা ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে তিগ্রায় লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সংঘর্ষের সময় সুদান ও মিশরকে অভিযোগ করেছেন বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে। তিনি বলেছেন, “এই যুদ্ধবাহিনীগুলো আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থে সংগঠিত এবং তাদের পেছনে সুদান, মিশর ও অন্যান্য বিদেশি শক্তির সমর্থন রয়েছে। তারা কোনো লাভ অর্জন করতে পারবে না যতক্ষণ না তাদের পেছনে সুদান, মিশর ও অন্যান্য বিদেশি শক্তির সমর্থন থাকে।”
সুদান সেনাবাহিনী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, “এই অভিযোগ ভিত্তিহীন”। তারা আরো দাবি করেছে, ইথিওপিয়ার অভ্যন্তরে তাদের বিরুদ্ধে র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ) প্রশিক্ষণ ও সরবরাহ পাচ্ছে, যার মধ্যে ড্রোন ব্যবহারও রয়েছে।
তিগ্রায়ের মেকেলে টেলিভিশন কেন্দ্রে ড্রোন হামলা হয়েছে। আল জাজীরার ম্যালকম ওয়েব বলেছেন, ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার আগের সপ্তাহে এই টেলিভিশন কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছিল। তিনি বলেছেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ড্রোন হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি, তবে এটি তিগ্রায় অঞ্চলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার পরিপ্রেক্ষিতে ঘটেছে।” যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে, যখন যোগাযোগ প্রদানকারীরা তিগ্রায় অঞ্চলে ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবায় গুরুতর বিচ্ছিন্নতা ঘোষণা করেছিল।
সংযুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র বলেছেন, গুতেরেস ড্রোন ব্যবহার এবং নাগরিকদের ক্ষতির বিষয়ে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। তবে কোনো নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।
তিগ্রায় লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) তিগ্রায়ের দক্ষিণাঞ্চলীয় আলামাতা শহর দখল করেছে এবং মেকোনি ও মায়চু শহর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আল জাজীরার সূত্রে জানা যায়, টিপিএলএফ আফার অঞ্চলে এরেবতি শহর দখল করেছে এবং ১০০ কিলোমিটার দূরে আফদেরা শহর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই অঞ্চলটি ইথিওপিয়ার প্রধান আমদানির উৎস ডজিবৌটির সাথে সংযুক্ত।
টিপিএলএফ ছয়টি অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে মিলিত হয়ে ইথিওপিয়ান পিপলস ফোর্সেস অ্যালায়েন্স ফর সারভাইভাল গঠন করেছে, যার লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারের পতন। এই গোষ্ঠীগুলো ২০২০-২০২২ সালের গৃহযুদ্ধের সময় একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
"এই যুদ্ধবাহিনীগুলো আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থে সংগঠিত এবং তাদের পেছনে সুদান, মিশর ও অন্যান্য বিদেশি শক্তির সমর্থন রয়েছে। তারা কোনো লাভ অর্জন করতে পারবে না যতক্ষণ না তাদের পেছনে সুদান, মিশর ও অন্যান্য বিদেশি শক্তির সমর্থন থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইথিওপিয়া (তিগ্রায়, আফার, আমহারা অঞ্চল), মেকেলে, আলামাতা, মেকোনি, মায়চু, এরেবতি, আফদেরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিল্ড মার্শাল বিরহানু জুলা, প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ, ম্যালকম ওয়েব, অ্যান্টোনিও গুতেরেস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০,০০০ জন (২০২০-২০২২ সালের গৃহযুদ্ধে মৃত্যু), ১০০ কিলোমিটার (আফদেরা থেকে এরেবতি পর্যন্ত দূরত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!