📌 বঙ্গভবনে সোমবার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতসহ ইইউ প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-ইউরোপ সম্পর্কের গভীরায়ন ও রোহিঙ্গা সহায়তায় সহযোগিতার আহ্বান জানায়
বঙ্গভবনে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদল। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সাক্ষাৎ হিসেবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ ইউরোপীয় রাষ্ট্র (ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, সুইডেন) ও ইইউ প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন
- 📌 রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ-ইউরোপ সম্পর্কের বহুমাত্রিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান
- 📌 রোহিঙ্গা সহায়তা ও মিয়ানমারে তাদের প্রত্যাবর্তনের পরিবেশ তৈরিতে ইইউর জোরালো ভূমিকার আহ্বান
- 📌 অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও দক্ষ জনশক্তির বৈধ অভিবাসনের পথ সম্প্রসারণের কথা বলেন রাষ্ট্রপতি
- 📌 সাক্ষাৎকালে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে আলোচনা হয়
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূতরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যকার সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই অংশীদারত্ব বর্তমানে বহুমাত্রিক রূপ লাভ করেছে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এর সদস্য দেশগুলোর অব্যাহত সহযোগিতা ও অবদানের জন্য রাষ্ট্রপতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এই সুসম্পর্ক আরও গভীর করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশে বিনিয়োগের সুবর্ণ সুযোগের বিস্তারিত তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।
অভিবাসন বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে তিনি দক্ষ জনশক্তির জন্য বৈধ অভিবাসনের পথ আরও সম্প্রসারণ এবং আরও ইইউ সদস্য রাষ্ট্রকে ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ইইউর অব্যাহত ও বর্ধিত মানবিক সহায়তার কামনা করেন। তিনি মিয়ানমারে তাদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদার সাথে প্রত্যাবর্তনের পরিবেশ তৈরিতে ইইউর আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূতগণ তাদের সমর্থন ও সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ রূপান্তর, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, সামুদ্রিক বিষয়াবলি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর। উভয় পক্ষ গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বহুপাক্ষিকতা, আন্তর্জাতিক আইন এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে এবং বহুপাক্ষিক ফোরামগুলোতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন।
"বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এর সদস্য দেশগুলোর অব্যাহত সহযোগিতা ও অবদানের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এই সুসম্পর্ক আরও গভীর করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ৭ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত, ইইউ প্রতিনিধিদল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টি ইউরোপীয় রাষ্ট্র (ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, সুইডেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!