📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় চোরাই পাঁচটি গরু উদ্ধার করা হলেও তাদের প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ থানার ভেতরে গোয়ালঘর তৈরি করে গরুগুলো লালন-পালন করছে, কিন্তু খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়ে কষ্ট হচ্ছে। আটক তিনজন স্বীকার করেছেন গরু চুরির অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় চোরাই পাঁচটি গরু উদ্ধার করা হলেও তাদের প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ থানার ভেতরে গোয়ালঘর তৈরি করে গরুগুলো লালন-পালন করছেন, কিন্তু খাবার, চিকিৎসা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে বিপর্যয় সৃষ্টি হচ্ছে। গত ৩০ আগস্ট মজিদচালা এলাকায় গরু চুরির অভিযোগে আটক তিনজন স্বীকার করেছেন গরু চুরির অভিযোগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় চোরাই পাঁচটি গরু উদ্ধার করা হলেও তাদের প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না
- 📌 পুলিশ থানার ভেতরে গোয়ালঘর তৈরি করে গরুগুলো লালন-পালন করছেন, প্রতিদিন ১০-১৫ কেজি খাবার খরচ হয়
- 📌 আটক তিনজন (মুজিবুর রহমান, রোবিনা আক্তার, সালমা আক্তার) স্বীকার করেছেন গরু চুরির অভিযোগ
- 📌 পুলিশের তথ্য: তিনজন পালিয়ে যাওয়া আসামিদের গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে
- 📌 গরুর বর্জ্যে থানার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, পুলিশ দাবি করছে দ্রুত সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিলামের
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় চোরাই পাঁচটি গরু উদ্ধার করা হলেও তাদের প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের তথ্য মতে, গত ৩০ আগস্ট বিকেলে কালিয়াকৈর থানার মজিদচালা এলাকায় একটি চক্র গরু চুরির চেষ্টা করেছিল। স্থানীয় লোকজনের সন্দেহে তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচটি গরু উদ্ধার করে। চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার দৌলতপুর এলাকার মৃত ইদ্রিস মুন্সির ছেলে মুজিবুর রহমান (৪৫), তাঁর মেয়ে রোবিনা আক্তার (২৫) এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত বরুজের মেয়ে সালমা আক্তার (৩২)।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুমন শেখ, শহিদুল ইসলাম ও জিন্নাত আলী নামে আরও তিনজন পালিয়ে যান। এই ঘটনায় কালিয়াকৈর থানায় মামলা করা হয়। পরদিন সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তার তিনজনকে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা গরুগুলোকে থানা প্রাঙ্গণে রাখা হয়। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘গরুগুলোর প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে থানার ভেতরে রেখে লালন-পালন করা হচ্ছে। এগুলো লালন-পালন করা খুবই কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
থানার পুলিশ সদস্যরা জানান, গরুগুলোর জন্য নিজেদের খরচে গোয়ালঘর তৈরি এবং খাবারের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। প্রতিদিন পাঁচটি গরুর জন্য প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি খাবার দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় খাবার কম হওয়া এবং চিকিৎসাসেবা না পাওয়ায় গরুগুলো রুগ্ণ হয়ে পড়ছে। পুলিশ সদস্যরা আরও জানান, গরুর বর্জ্যে থানার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। তারা দাবি করছেন, উদ্ধার হওয়া গরুগুলো দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়ায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিলামের ব্যবস্থা করা উচিত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন বলেছেন, ‘বিষয়টি থানার পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়নি। এখন আপনাদের মাধ্যমে যেহেতু বিষয়টি জানলাম, সেহেতু সরকারি নিয়মনীতি মেনে গরুগুলো নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
"গরুগুলোর প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে থানার ভেতরে রেখে লালন-পালন করা হচ্ছে। এগুলো লালন-পালন করা খুবই কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কালিয়াকৈর থানা, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি সহিদুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান (৪৫), রোবিনা আক্তার (২৫), সালমা আক্তার (৩২), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি গরু, ১৫ কেজি খাবার, ৩০ আগস্ট, ৪৫ বছর, ২৫ বছর, ৩২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!