📌 ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। মৃতের সংখ্যা দুই হাজার তিনশত পঁচিশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক মহামারি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। দেশটির জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার পর্যন্ত ইবোলায় মৃতের সংখ্যা দুই হাজার তিনশত পঁচিশ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের প্রাদুর্ভাবের মৃত্যুহারকে ছাড়িয়ে এটি দেশটির ইতিহাসে সর্বাধিক প্রাণঘাতী ইবোলা মহামারি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিআর কঙ্গোর ইতিহাসে সর্বাধিক প্রাণঘাতী ইবোলা মহামারি হিসেবে চিহ্নিত মৃত্যু সংখ্যা দুই হাজার তিনশত পঁচিশ
- 📌 ইবোলায় আক্রান্তের নিশ্চিত সংখ্যা চার হাজার নয়শত পঁয়তাল্লিশ জনে দাঁড়িয়েছে
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একশত এক জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত
- 📌 ইবোলা ভাইরাসের বান্দিবুগিও প্রজাতির বিরুদ্ধে এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই
📰 বিস্তারিত
ডিআর কঙ্গোর জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রোববার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দুই হাজার তিনশত পঁচিশ জনে দাঁড়িয়েছে, যা পূর্ববর্তী মহামারির মৃত্যুহারকে ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার নয়শত পঁয়তাল্লিশ জনে উন্নীত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একশত এক জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানান, এটি নথিভুক্ত ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাব। অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বুধবার সতর্ক করে বলেন, বর্তমান গতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে এটি ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ইবোলা মহামারির মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই মহামারিতে এগারো হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।
ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ থমাস পারিশ জানান, সাধারণত প্রাদুর্ভাবের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুহার কমে আসার কথা থাকলেও ডিআর কঙ্গোতে পরিস্থিতি বিপরীত। অনেক রোগী দেরিতে শনাক্ত হচ্ছেন এবং এমনকি মৃত্যুর পরেও তাদের সংক্রমণ নিশ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে ইবোলা ভাইরাসের বান্দিবুগিও প্রজাতির বিরুদ্ধে কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই।
"এটি নথিভুক্ত ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টম ফ্লেচার, টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস, থমাস পারিশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার তিনশত পঁচিশ, চার হাজার নয়শত পঁয়তাল্লিশ, একশত এক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!