📌 হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিরাপত্তাকর্মী আঘাতের অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে আদালত একদিনের রিমান্ডে নেয়েছে। বিমানবন্দরের কর্মকর্তা ও যাত্রীদের বিরুদ্ধে হুমকি, মারধর ও অশালীন আচরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিরাপত্তাকর্মী আঘাতের অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালত শুনানি শেষে একদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলামের আবেদনে আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলেও আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিরাপত্তাকর্মী আঘাতের অভিযোগে একদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
- 📌 ৩৪ জন জামায়াত প্রতিনিধির ফ্লাইটে লাগেজ ও ট্রলি সংকটে উত্তেজনা সৃষ্টি করে হুমকি, মারধর ও অশালীন আচরণ করা অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
- 📌 বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে মারধরের হুমকি দেন এবং মন্ত্রী সম্পর্কেও অশালীন মন্তব্য করেন আখতারুজ্জামান।
- 📌 নিরাপত্তাকর্মীকে গালি দেন ও শারীরিক আঘাত করার অভিযোগে মামলায় বাদী হিসেবে নাম দেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব।
- 📌 ২ অক্টোবর ধামালকোটের ৩৫ নম্বর বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় আখতারুজ্জামানকে।
📰 বিস্তারিত
গত ১ অক্টোবর মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরার পথে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি সপরিবারে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইট সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে বিমানবন্দরে পৌঁছায় এবং ৯টা ৮ মিনিটে পার্কিং করে। যাত্রীরা ২১ নম্বর গেট দিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় যান। এ সময় ট্রলি সংগ্রহে দীর্ঘ লাইন ও লাগেজ বিলম্বের কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠানো হলেও মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাকে রূঢ়ভাবে কথা বলেন এবং মারধরের হুমকি দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন নির্বাহী পরিচালককে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেন। পরে আখতারুজ্জামান উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে হুমকিমূলক বক্তব্য দেন এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সম্পর্কেও অশালীন মন্তব্য করেন।
নিরাপত্তাকর্মীকে আঘাতের অভিযোগে আরও বলা হয়, আখতারুজ্জামান ও তার সঙ্গী প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের কেপিআইভুক্ত এলাকায় ভিডিও ধারণ করছিলেন। নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদের নিষেধ করলে আখতারুজ্জামান তাকে গালিগালাজ করেন এবং শারীরিকভাবে আঘাত করেন। এছাড়া সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ও পাত্র ট্রলি থেকে ছুড়ে ফেলে ক্ষতি করার অভিযোগও রয়েছে।
"আসামি অসৎ উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরের সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়েছেন এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করেছেন। ঘটনার পেছনে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইন্ধন ছিল কিনা তা উদঘাটনের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, মাজেদুল ইসলাম, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, শাহরিয়ার আলম সজিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ জন (জামায়াত প্রতিনিধি), ১ অক্টোবর, ২ অক্টোবর, ৫ দিনের রিমান্ড (আবেদন), ১ দিনের রিমান্ড (মঞ্জুর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!