📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজা যুদ্ধে নেতানিয়াহু জিম্মিদের মুক্তি প্রত্যাখ্যান করলেন: ইসরায়েলের সাবেক আলোচকদের সতর্কবার্তা

গাজা যুদ্ধে নেতানিয়াহু জিম্মিদের মুক্তি প্রত্যাখ্যান করলেন: ইসরায়েলের সাবেক আলোচকদের সতর্কবার্তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জিম্মিদের মুক্তি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের সাবেক আলোচকরা। তারা বলেন, যুদ্ধের শুরুতে চুক্তি হলে হাজারো ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি জীবন বাঁচতে পারত

গাজা যুদ্ধের শুরু থেকে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জিম্মিদের মুক্তি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের সাবেক আলোচকরা। তারা মনে করেন, যুদ্ধের শুরুতে চুক্তি হলে হাজারো ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি জীবন বাঁচাতে পারত। গাজায় হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ইসরায়েলের সাবেক আলোচক মেজর জেনারেল নিৎজান অ্যালন বলেছেন, ‘আমরা এই পর্যায়ে আরও অনেক আগেই পৌঁছাতে পারতাম—সম্ভবত ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এক বছর আগেই। এতে যুদ্ধের অন্যান্য কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে বড় কোনো প্রভাব পড়ত না। আমরা আসলে সেই সুযোগ হারিয়েছি। যুদ্ধ অনেক দীর্ঘ হয়েছে।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলের সাবেক আলোচক মেজর জেনারেল নিৎজান অ্যালন বলেছেন, গাজা যুদ্ধের শুরুতে জিম্মিদের মুক্তির চুক্তি হলে হাজারো জীবন বাঁচতে পারত।
  • 📌 নেতানিয়াহু ‘পূর্ণ বিজয়’ অর্জনের দাবি ‘মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন অ্যালন।
  • 📌 ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছেন ২০ ইসরায়েলি জিম্মি এবং প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি।
  • 📌 কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আল-থানি বলেছেন, হামাসের হামলার পরপরই জিম্মিদের মুক্তির প্রস্তাব নিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা আলোচনা করতে রাজি হননি।
  • 📌 ইসরায়েলের সাবেক কূটনীতিক অ্যালান পিঙ্কাস বলেছেন, নেতানিয়াহু যুদ্ধের শেষ হওয়া আটকে রেখেছিলেন।

📰 বিস্তারিত

ইসরায়েলের সাবেক আলোচক মেজর জেনারেল নিৎজান অ্যালন ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির এক ওয়েবকাস্টে বলেছেন, গাজা যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েল জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে পারত। তিনি বলেন, ‘আমরা এই পর্যায়ে আরও অনেক আগেই পৌঁছাতে পারতাম—সম্ভবত এক বছর বা তার আগেই। এতে যুদ্ধের অন্যান্য কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে বড় কোনো প্রভাব পড়ত না। আমরা আসলে সেই সুযোগ হারিয়েছি। যুদ্ধ অনেক দীর্ঘ হয়েছে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধে ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘পূর্ণ বিজয়’ অর্জনের দাবি ‘মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন অ্যালন। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের অক্টোবরের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে একটি ‘কৌশলগত সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতিটি আরও অনেক আগেই কার্যকর করা সম্ভব ছিল। তাহলে বন্দিদশায় নিহত বা খুন হওয়া কয়েকজন জিম্মি হয়তো জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারতেন।

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হামাস ও ইসরায়েল বন্দিবিনিময় করে। এ চুক্তির অধীন ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনিকে এবং গাজায় আটক ২০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি বলেছেন, হামাসের হামলার পরপরই সব জিম্মিকে মুক্তির বিনিময়ে সীমিত সময়ের যুদ্ধবিরতির জন্য হামাসের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতেও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনই আমরা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। আমাদের বার্তা ছিল খুবই স্পষ্ট। [হামাস নেতারা] বেসামরিক লোকজনকে বের করে আনার জন্য যুদ্ধবিরতির একটি সুযোগ চেয়েছিলেন। মূলত [ইসরায়েলিরা] এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতেই আগ্রহী ছিল না।’

"আমরা যুদ্ধটা সংক্ষিপ্ত করতে পারতাম—আমাদের এটা করা উচিত ছিল। তাহলে সব জিম্মিকে হয়তো এক বছর আগেই ফিরিয়ে আনতে পারতাম। এরপর সামনে এগিয়ে যেতে পারতাম এবং হয়তো উভয় পক্ষের হাজারো মানুষের জীবন বাঁচাতে পারতাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা, ইসরায়েল, ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), কাতার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল নিৎজান অ্যালন, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, শেখ মোহাম্মদ আল-থানি, অ্যালান পিঙ্কাস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ হাজার (ফিলিস্তিনি নিহত), ২০ (ইসরায়েলি জিম্মি), ২ হাজার (ফিলিস্তিনি বন্দি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖