📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অতিতীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব আঘাত হানে ভারতের উপকূল: ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

অতিতীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব আঘাত হানে ভারতের উপকূল: ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার উপকূলে আঘাত হানে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২১৬ মিলিমিটার পৌঁছেছে, ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জলোচ্ছ্বাস ও বাতাসের দমকা হাওয়ার কারণে এলাকায় বিপদসংকেত জারি করা হয়েছে

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে ঝড়টি উপকূলীয় এলাকায় আছড়ে পড়ে এবং অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া আরও কয়েক ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮ অক্টোবর ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’।
  • 📌 বিশাখাপত্তনমে সর্বোচ্চ ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
  • 📌 ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
  • 📌 নরসাপুর থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং কাকিনাড়া থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল ঝড়।
  • 📌 বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার, দমকা হাওয়ার সঙ্গে তা ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
  • 📌 জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ১.৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
  • 📌 বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়া গামী ফ্লাইট ও ট্রেন চলাচল বন্ধ, স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
  • 📌 এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

📰 বিস্তারিত

ভারতের আবহাওয়া বিভাগের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ‘অতিতীব্র’ পর্যায়ের। এটি বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার ও বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পর্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।

বিশাখাপত্তনমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২১৬ মিলিমিটার পৌঁছেছে। জলোচ্ছ্বাসের কারণে নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও, বাতাসের দমকা হাওয়ার কারণে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে।

ঘূর্ণিঝড়ের আগেই সরকারি কর্মকর্তারা সতর্কতা জারি করে। ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

"ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া আরও কয়েক ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূল, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ সরানো, ৩০-৭০ কিলোমিটার দূরত্ব, ১১৫-১৪০ কিলোমিটার বাতাসের গতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖