📌 অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা শেষ করলেও অনেক আন্তর্জাতিক স্নাতক তাদের যোগ্যতার পূর্ণ ব্যবহার করতে পারছেন না। চাকরির প্রতিযোগিতা, অভিজ্ঞতার অভাব ও ভিসা জটিলতা তাদের কর্মসংস্থানে বাধা সৃষ্টি করছে
অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা শেষ করলেও অনেক আন্তর্জাতিক স্নাতক তাদের পড়াশোনার যোগ্যতা ও দক্ষতার পূর্ণ ব্যবহার করতে পারছেন না। চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা, অভিজ্ঞতার অভাব এবং ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা তাদের কর্মসংস্থানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভিয়েতনামের সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেস ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এই চিত্রের বিবরণ পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা বিভাগের ২০২৫ সালের জরিপে, স্নাতক পর্যায়ের ২৬.৩% শিক্ষার্থী মনে করেন তাদের চাকরিতে অর্জিত দক্ষতা পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না
- 📌 স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই হার ৩৮.৭% পর্যন্ত উন্নীত হয়েছে
- 📌 ফিন্যান্সে স্নাতক হওয়া ২২ বছর বয়সী একজন শিক্ষার্থী পাঁচটি সাক্ষাৎকারের পরও চাকরি পাননি
- 📌 স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার, অভিজ্ঞতার অভাব ও অস্থায়ী ভিসার মেয়াদ নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রধান বাধা
- 📌 চিকিৎসাবিদ্যায় কর্মসংস্থানের হার সর্বোচ্চ ৯৫.৬%, কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে হার কম
- 📌 ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লি ট্রান নিয়োগদাতাদের স্নাতক ভিসা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা বিভাগের ২০২৫ সালের গ্র্যাজুয়েট আউটকামস সার্ভে থেকে উঠে এসেছে যে, স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৬.৩% এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৮.৭% মনে করেন তাদের চাকরিতে অর্জিত দক্ষতা বা শিক্ষার পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি তাদের কর্মসংস্থানের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।
২২ বছর বয়সী একজন শিক্ষার্থী, যিনি মেলবোর্নের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্সে স্নাতক হন, আর্থিক বিশ্লেষক হিসেবে চাকরি পেতে ডেলয়েট, ইওয়াই, কেপিএমজি ও পিডব্লিউসির মতো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেন। তিনি প্রায় পাঁচটি সাক্ষাৎকারের সুযোগ পেলেও কোনো চাকরি পাননি। তার অভিজ্ঞতা ও ভিসা নিয়ে উদ্বেগ নিয়োগদাতাদের স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার, অস্ট্রেলিয়ায় কাজের অভিজ্ঞতার অভাব এবং অস্থায়ী ভিসার মেয়াদ নিয়ে অনিশ্চয়তা এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
কিছু নিয়োগদাতা দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের জন্য কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভিসাসংক্রান্ত ঝুঁকি বিবেচনা করেন। শ্রমবাজারের শ্লথ গতি পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তবে আন্তর্জাতিক স্নাতকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বিষয়ভেদে আলাদা। ২০২৫ সালের জরিপে আন্তর্জাতিক স্নাতকদের মধ্যে পূর্ণকালীন কর্মসংস্থানের হার সর্বোচ্চ চিকিৎসাবিদ্যায় ৯৫.৬ শতাংশ। এ ছাড়া ফার্মেসিতে ৮৯.৭ শতাংশ, পুনর্বাসনবিষয়ক শিক্ষায় ৮১.১ শতাংশ এবং ভেটেরিনারি সায়েন্সে ৭৬.৯ শতাংশ ছিল।
ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লি ট্রান নিয়োগদাতাদের অস্থায়ী স্নাতক ভিসা এবং এর শর্ত সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কার্যকর কর্মজীবনবিষয়ক সহায়তা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
"অস্ট্রেলিয়ায় কাজের অভিজ্ঞতার অভাব এবং ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানে বাধা সৃষ্টি করছে। শিক্ষার্থীদের আগেভাগে প্রস্তুতির প্রয়োজন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক লি ট্রান, ২২ বছর বয়সী ফিন্যান্স স্নাতক শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬.৩%, ৩৮.৭%, ৯৫.৬%, ৮৯.৭%, ৮১.১%, ৭৬.৯%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!