📌 নবম পে স্কেলের বাস্তবায়নে ত্রুটি সৃষ্টি হয়েছে। সিনিয়র কর্মীদের বেতন বকেয়া পড়ার সাথে সাথে জুনিয়র কর্মীদের পকেটে ৭০০ টাকা বেশি বেতন চলে যাচ্ছে। দুই লাখেরও বেশি কর্মীর বেতন এখনো চূড়ান্ত হয়নি
গভীর জটিলতার কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে স্কেলের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর ত্রুটিপূর্ণ নিয়মের কারণে সিনিয়র কর্মীদের বেতন বকেয়া পড়ার সাথে সাথে জুনিয়র কর্মীদের পকেটে ৭০০ টাকা বেশি বেতন পাওয়ার অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, এই জটিলতার কারণে দুই লাখেরও বেশি কর্মীর বেতন এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং তারা ১ নভেম্বর থেকে বর্ধিত বেতন পাবেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১তম গ্রেডের কর্মীদের মূল বেতন ৩৭ হাজার টাকা হওয়া সত্ত্বেও, ১২তম গ্রেডের কর্মীদের পকেটে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা বেতন চলে যাচ্ছে — ৭০০ টাকা বেশি!
- 📌 ১৪ লাখ কর্মীর মধ্যে মাত্র ১২ লাখের বেতন চূড়ান্ত হয়েছে, বাকি দুই লাখের বেতন এখনো ঝুলে আছে
- 📌 ১ নভেম্বর থেকে বেতন বর্ধিত হওয়ার কথা, কিন্তু আইবাস++ সফটওয়্যার ও গ্রেড সাজানোর ত্রুটির কারণে বেতন বিতরণে বাধা
- 📌 অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার মুখে কুলুপ এঁটেছেন, কিন্তু অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে
- 📌 বেতন বকেয়া পড়ার শঙ্কা থাকলেও অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বকেয়া টাকা পরবর্তীতে পরিশোধ করা হবে
📰 বিস্তারিত
নবম পে স্কেলের বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছিল ৫ অক্টোবর থেকে। তবে বেতন নির্ধারণের সময় গ্রেডের ক্রম, উচ্চতর গ্রেড এবং বাড়িভাড়া ভাতা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে ১১তম গ্রেডের কর্মীদের মূল বেতন ২৫ হাজার টাকা এবং ১২তম গ্রেডের কর্মীদের মূল বেতন ২৪ হাজার ৩০০ টাকা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে বেতন সমন্বয় করতে গিয়ে দেখা গেল, ১১তম গ্রেডের কর্মীদের মূল বেতন ৩৭ হাজার টাকা হওয়া সত্ত্বেও, ১২তম গ্রেডের কর্মীদের পকেটে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা বেতন চলে যাচ্ছে। অর্থাৎ, জুনিয়র কর্মীরা সিনিয়রদের তুলনায় ৭০০ টাকা বেশি পেয়ে যাচ্ছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর থেকে বেতন নির্ধারণের কাজে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রেডের ক্রম এবং বাড়িভাড়া ভাতা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এছাড়াও, আইবাস++ সফটওয়্যারের ত্রুটির কারণে হিসাব মেলাতে সমস্যা হচ্ছে। অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার মুখে কুলুপ এঁটেছেন, তবে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে এই সমস্যার সমাধান খোঁজার জন্য।
অর্থ বিভাগের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, প্রজ্ঞাপন তৈরি ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কিছু পেশাগত অনভিজ্ঞতার কারণে এই ত্রুটি সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে, যাঁদের বেতন নতুন নিয়মে এখনো সাজানো সম্ভব হয়নি, তাঁরা আপাতত পুরোনো নিয়মেই বেতন পাবেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের শঙ্কা, ১ নভেম্বরের ডেডলাইনের মধ্যে এই জটিলতার সমাধান সম্ভব হবে না।
"এই নিয়মগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা না করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, অর্থ মন্ত্রণালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, কর্মচারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ (কর্মী), ১৪ লাখ (মোট কর্মী), ৭০০ টাকা (বেতনের পার্থক্য), ১ নভেম্বর (ডেডলাইন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!