📌 ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দিচ্ছে। অর্থ পাচারের অভিযোগে পাসপোর্ট জমা না দিয়ে পালানোর ঘটনাকে ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা 'লজ্জাজনক' বলে অভিহিত করেছেন
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে দেশ থেকে পালিয়ে যান ডানপন্থী রাজনীতিবিদ ফ্লাভিও বলসোনারো। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা প্রদানের কথা জানিয়েছে। অর্থ পাচারের অভিযোগে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট তাঁর পাসপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দিলেও, এক দিন পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ফ্লাভিও ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দেওয়া হবে। তবে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে হেরে দেশ ছেড়ে পালালেন ফ্লাভিও বলসোনারো, পাসপোর্ট জমা না দিয়ে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দিচ্ছে, তবে পৌঁছেছেন কি না তা নিশ্চিত নয়
- 📌 অর্থ পাচারের অভিযোগে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট তাঁর পাসপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দিলেও পালিয়ে যান
- 📌 ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা বলসোনারোর পালানোর ঘটনাকে 'লজ্জাজনক' বলে অভিহিত করেছেন
- 📌 নির্বাচনে ৪৪ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরে যান ফ্লাভিও বলসোনারো
- 📌 ফ্লাভিওর ছোট ভাই এদুয়ার্দো বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন, তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে লবিং করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত
📰 বিস্তারিত
ব্রাজিলের নির্বাচনে হেরে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো। অর্থ পাচারের অভিযোগে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট তাঁর পাসপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দিলেও, এক দিন পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। আল জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফ্লাভিও ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দেয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন কি না, তা ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেননি। ফ্লাভিও অর্থ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার তিনি বলেছিলেন, ‘দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা আমি কখনো ভাবিনি। পাসপোর্ট জমা দিয়ে অভিযোগের মোকাবিলা করবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আদালতের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট জমা পড়েনি। কীভাবে তিনি দেশ ছাড়লেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ব্রাজিলের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিয়মিত কোনো সীমান্তপথ দিয়ে তিনি দেশ থেকে পালাননি।
ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ফ্লাভিওর দেশ থেকে পালানোর ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলেছেন। তাঁর মতে, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে ফ্লাভিওর ব্রাজিলেই থাকা উচিত ছিল। ব্রাসিলিয়ায় নিজের ৮১তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে লুলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি গোপনে নিজের দেশ ছেড়ে চলে যায়, তার নিশ্চয়ই কিছু লুকানোর আছে।’ তিনি আরো বলেন, বলসোনারো পরিবারের কাছে ব্রাজিল দ্বিতীয় দেশ, যুক্তরাষ্ট্রই তাদের প্রথম পছন্দ।
ফ্লাভিওর নির্বাচন হারানোর ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘এটাকে আরেকটি কারচুপির নির্বাচন বলে মনে হচ্ছে।’ তবে ভোটে অনিয়মের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নির্বাচনের সময় শেষ মুহূর্তে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হলেও লুলা বড় ব্যবধানে জয়ী হন। নির্বাচনের ফল বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাও ছিল কম। যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধি জোয়াকিন কাস্ত্রো জানতে চেয়েছেন, ফ্লাভিওর দেশ ছাড়ার পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো ভূমিকা ছিল কি না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘নির্বাচনে হার আশ্রয় পাওয়ার কারণ হতে পারে না। অথচ ট্রাম্প প্রশাসন ফ্লাভিও বলসোনারোকে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে।’
"দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা আমি কখনো ভাবিনি। পাসপোর্ট জমা দিয়ে অভিযোগের মোকাবিলা করবেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্লাভিও বলসোনারো, লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, ডোনাল্ড ট্রাম্প, জোয়াকিন কাস্ত্রো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ লাখ (ভোটের ব্যবধান), ৮১ (ফ্লাভিওর বয়স), ২৫ অক্টোবর (নির্বাচন তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!