📌 বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হলো তাদের ভাষা, সাহিত্য ও লোকসংস্কৃতির ঐক্য। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী নজরুল বর্ষ উদযাপন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের মজবুত ভিত্তি সাংস্কৃতিক ঐক্য — এই কথা বলেছেন বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ভাষা, সাহিত্য, সংগীত ও লোকঐতিহ্যের গভীর সেতুবন্ধনই তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আত্মার সম্পর্ক — ভাষা, সাহিত্য ও লোকসংস্কৃতির ঐক্য এর মজবুত ভিত্তি
- 📌 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন শাহ ও বাংলা লোকসংগীতকে দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী
- 📌 ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী নজরুলের জন্মস্থান চুরুলিয়ায় আন্তর্জাতিক মানের অনুষ্ঠান আয়োজনের আশ্বাস দেন
- 📌 আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম প্রস্তাব করেন ভারত থেকে ধ্রুপদি সংগীতশিল্পীদের আমন্ত্রণ ও বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি নবায়ন
- 📌 ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সাংস্কৃতিক জাগরণের প্রয়োজন বলে মন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
রোববার সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে এলে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এই কথাগুলো বলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন, নজরুল বর্ষ উদযাপন, শিল্পী ও গবেষক বিনিময়, শাস্ত্রীয় সংগীত, লোকসংস্কৃতি, তরুণ প্রতিভা বিকাশ এবং সামুদ্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী মোহাম্মদ রফি, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, অলকা ইয়াগনিক ও পণ্ডিত রবিশঙ্করর সৃষ্টিশীল অবদান প্রমাণ করে যে, শিল্প ও সংস্কৃতি সীমান্তের গণ্ডি অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়ের ভাষায় কথা বলে। তিনি চলমান নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশে আয়োজিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ভারতের খ্যাতিমান নজরুল গবেষক ও সংস্কৃতিবিদদের অংশ নিতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক গভীর। খাদ্যাভ্যাস, ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বহু ক্ষেত্রে আমাদের গভীর অভিন্নতা রয়েছে।’ তিনি বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন।
"বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক গভীর। খাদ্যাভ্যাস, ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বহু ক্ষেত্রে আমাদের গভীর অভিন্নতা রয়েছে।"
বৈঠকে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম প্রস্তাব করেন ভারত থেকে দুজন ধ্রুপদি সংগীতশিল্পীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বাংলাদেশে কর্মশালা আয়োজন এবং বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিসচিব ইয়াসমিন বেগম, ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পাওয়ানকুমার তুলশিদাস বাধে ও ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী দপ্তর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিতাই রায় চৌধুরী, দীনেশ ত্রিবেদী, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১ ঘণ্টা ব্যাপী বৈঠক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!