📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেছেন, ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত না করলে ক্রনিক রোগের রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকবে। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং আয়োডিনযুক্ত লবণের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব আয়োডিন দিবসের আলোচনা সভায় বলেছেন, শুধু ডায়ালিসিস মেশিন কিনে বা হাসপাতাল নির্মাণ করলেই অসুস্থ মানুষের মৃত্যুর মিছিল থামবে না। তিনি জানান, ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত না করলে ক্রনিক রোগের রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেছেন, ভেজাল খাদ্য ও দুর্নীতিকে জনস্বাস্থ্যের প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
- 📌 ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সরকার।
- 📌 ২০২৬ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ আয়োডিনবিহীন লবণ খাচ্ছেন।
- 📌 ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পুষ্টিহীন প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
- 📌 বিশ্ব আয়োডিন দিবসের আলোচনা সভায় তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য খাতের মূল লক্ষ্য হলো রোগ প্রতিরোধে জোর দেওয়া।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ব আয়োডিন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেছেন, ভেজাল খাদ্য ও দুর্নীতিকে জনস্বাস্থ্যের প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় ডায়ালিসিস মেশিন ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করা হলেও, ভেজাল খাদ্য বন্ধ না হলে কিডনি সহ বিভিন্ন ক্রনিক রোগের রোগীর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের জোরালো ভূমিকা কামনা করেছেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য খাতে নির্বাচনী ইশতেহারের মূল ভিত্তি হলো রোগ প্রতিরোধের ওপর জোর দেওয়া। তবে চিকিৎসাসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি ভেজাল খাদ্য ও দুর্নীতি দুটোই জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় অন্তরায়। তিনি উল্লেখ করেছেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দৃঢ় আশ্বস্ত করেছেন, বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে বিন্দুমাত্র বরদাস্ত করবেন না এবং যত শক্তিশালী ব্যক্তিই হোক না কেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আয়োডিনের ঘাটতি দূর করার কার্যকারিতাকে সাধুবাদ জানিয়ে ড. এমএ মুহিত বলেন, বিগত বছরগুলোতে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আয়োডিনযুক্ত লবণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীতার হার অনেকটাই রোধ করা সম্ভব হয়েছে। তবে ২০২৬ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী এখনও প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ আয়োডিনবিহীন লবণ খাচ্ছেন। তিনি বলেন, এই আটজনে একজন মানুষকে টার্গেট করে সুনির্দিষ্ট গবেষণার মাধ্যমে তাদের কাছে আয়োডিনযুক্ত লবণ পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিশেষ করে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পুষ্টিহীনতায় ভোগা প্রতিবন্ধী শিশুদের মূলধারার পুষ্টি ও স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশি নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
"শুধু ডায়ালিসিস মেশিন কিনে বা হাসপাতাল তৈরি করে অসুস্থ মানুষের মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না, যদি সাধারণ মানুষের জন্য ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা না যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ হাজার কোটি টাকা (টেন্ডার), ১২ শতাংশ (আয়োডিনবিহীন লবণ ব্যবহারকারী), ৬০-৭০ শতাংশ (পুষ্টিহীন প্রতিবন্ধী শিশু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!