📌 বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সরকার ইউপি নির্বাচনের তারিখ সম্পর্কে কিছুই জানেন না। নির্বাচন কমিশন সাত ধাপে নির্বাচন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করলেও সরকারের সাথে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ নভেম্বর
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকারের অজ্ঞতা ও নির্বাচন কমিশনের সাত ধাপের নির্বাচন পরিকল্পনা নিয়ে আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সরকার ইউপি নির্বাচনের তারিখ সম্পর্কে কোনো তথ্য পায়নি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাথে সরকারের কোনো চিঠিপত্র বা আলোচনা হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সরকার ইউপি নির্বাচনের তারিখ সম্পর্কে কিছুই জানেন না
- 📌 নির্বাচন কমিশন সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে: প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর থেকে শুরু
- 📌 নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ঘোষণা করেন, সপ্তম ধাপের ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে
- 📌 সরকারের সাথে নির্বাচন কমিশনের কোনো আলোচনা বা চিঠিপত্র হয়নি, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করবে
- 📌 আগস্টে ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী অক্টোবর থেকে নির্বাচন শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি
📰 বিস্তারিত
আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকারের কোনো তথ্য নেই। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও নির্বাচন কমিশনের সাথে কোনো আলোচনা বা প্রস্তুতি সভা করেনি। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ নভেম্বর। তিনি ঘোষণা করেন, সাত ধাপে নির্বাচন পরিচালিত হবে। দ্বিতীয় ধাপের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপের ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপের ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপের ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপের ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।
এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগস্ট মাসে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছিল, চলতি বছরের অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে। তবে, গত জুনে জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তৎকালীন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।
"ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও কিছু জানে না। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সরকারের কোনো চিঠি–চালাচালি হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম (প্রতিমন্ত্রী), আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (নির্বাচন কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ নভেম্বর, ১৩ ডিসেম্বর, ৩০ ডিসেম্বর, ১৭ জানুয়ারি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২২ এপ্রিল, ২৭ মে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!