📌 প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ন্যায়বিচারের পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সরকার প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। তিনি বলেছেন, অভিযুক্তরা দেশে থাকলে তাদের অভিযোগের বিরুদ্ধে আদালতে অবস্থান তুলে ধরতে পারতেন। এছাড়াও, সরকার অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ন্যায়বিচারের পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। তিনি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড আদালতের রায়কে সরকার ন্যায়বিচারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
- 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ইনান।
- 📌 উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, অভিযুক্তরা দেশে থাকলে তাদের অভিযোগের বিরুদ্ধে আদালতে অবস্থান তুলে ধরতে পারতেন।
- 📌 সরকার অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে: গত ৩১ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১ হাজার ১৮৮টি অভিযান পরিচালিত হয়, ৬২৩টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ১ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৯১ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
- 📌 প্রধান প্রজনন মৌসুমে (৮-২৯ অক্টোবর) সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়কে সরকার স্বাগত জানায়। তিনি বলেন, “আদালতের এই রায় মানে প্রতিশোধ নেওয়া নয়। আমরা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই।”
উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, “ফাঁসির রায় দেখে আমরা খুশি না, আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছি কি না সেটা দেখতে চাই। অভিযুক্তরা দেশে থাকলে তাঁরা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে অবস্থান তুলে ধরতে পারতেন। তারা যেহেতু ছিলেন না, থাকলে আরও ভালো হতো।” তিনি বলেন, “সেটার ভিত্তিতে আমরা বিশ্বাস করি যে, তাঁদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব।”
সরকারের চলমান কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হলো অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযান। গত ৩১ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর অধীনে ১১ হাজার ১৮৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময়ে ৬২৩টি অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং জরিমানা হিসেবে ১ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৯১ টাকা আদায় করা হয়েছে। ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানিও (ডেসকো) ৩০টি অভিযান চালিয়ে ২১টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে এবং দুটি মামলা দায়ের করেছে। নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে ৩৭৪টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে, ১ হাজার ২৫৮টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং ৫৭টি মামলা করা হয়েছে।
এছাড়াও, প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, “জনস্বার্থেই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
"আদালতের এই রায় মানে প্রতিশোধ নেওয়া নয়; আমরা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই।" — প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (সংবাদ সম্মেলন), সারাদেশ (অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ অভিযান, ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জাহেদ উর রহমান (প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি), ৬২৩ (বিচ্ছিন্ন অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ), ১ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৯১ টাকা (জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!